সংবাদ

ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি তেহরানের


প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৬ এএম

ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি তেহরানের

ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ওয়াশিংটন তেহরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল রোববার এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইরানের দাবি, তাদের পণ্যবাহী জাহাজটি নিয়মিত পথে চলার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ার বিনা উসকানিতে গুলি চালায়। তেহরান বলছে, মার্কিন নৌ অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় এই হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানি জাহাজটি থামার নির্দেশ অমান্য করেছিল। ফলে মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার 'ইউএসএস স্প্রুয়েন্স' জাহাজটির ইঞ্জিনরুম লক্ষ্য করে গুলি চালায় যাতে সেটি থেমে যায়। বর্তমানে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এতে কী ধরনের মালামাল ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই হামলার পর ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার 'খাতাম আল-আম্বিয়া' কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেন:

"আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই সশস্ত্র জলদস্যুতার বিরুদ্ধে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যথোপযুক্ত জবাব দেবে। খুব শিগগিরই এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।"

ইরান আরও অভিযোগ করেছে যে, এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি সরাসরি লঙ্ঘন করেছে।

এই ঘটনার পর থেকে ওমান উপসাগরসহ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই দেশের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ওই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি তেহরানের

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ওয়াশিংটন তেহরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল রোববার এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইরানের দাবি, তাদের পণ্যবাহী জাহাজটি নিয়মিত পথে চলার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ার বিনা উসকানিতে গুলি চালায়। তেহরান বলছে, মার্কিন নৌ অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় এই হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানি জাহাজটি থামার নির্দেশ অমান্য করেছিল। ফলে মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার 'ইউএসএস স্প্রুয়েন্স' জাহাজটির ইঞ্জিনরুম লক্ষ্য করে গুলি চালায় যাতে সেটি থেমে যায়। বর্তমানে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এতে কী ধরনের মালামাল ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই হামলার পর ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার 'খাতাম আল-আম্বিয়া' কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেন:

"আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই সশস্ত্র জলদস্যুতার বিরুদ্ধে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যথোপযুক্ত জবাব দেবে। খুব শিগগিরই এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।"

ইরান আরও অভিযোগ করেছে যে, এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি সরাসরি লঙ্ঘন করেছে।

এই ঘটনার পর থেকে ওমান উপসাগরসহ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই দেশের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ওই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত