সংবাদ

ইরানি জাহাজে গুলিবর্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি ট্রাম্পের


প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পিএম

ইরানি জাহাজে গুলিবর্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার (১৯ এপ্রিল) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি জাহাজটিকে থামার জন্য বারবার সংকেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে জাহাজটি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনী ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন:

"তারা আমাদের সব সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। ফলে বাধ্য হয়েই মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার থেকে জাহাজটির ইঞ্জিনরুম লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় এবং সেটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়।"

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে জাহাজটিতে কী ধরনের মালামাল পরিবহন করা হচ্ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এই ঘটনার পর থেকে ওমান উপসাগর এলাকায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান ইতোমধ্যে এই ঘটনাকে 'সশস্ত্র জলদস্যুতা' হিসেবে আখ্যা দিয়ে পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


ইরানি জাহাজে গুলিবর্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার (১৯ এপ্রিল) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি জাহাজটিকে থামার জন্য বারবার সংকেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে জাহাজটি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনী ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন:

"তারা আমাদের সব সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। ফলে বাধ্য হয়েই মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার থেকে জাহাজটির ইঞ্জিনরুম লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় এবং সেটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়।"

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে জাহাজটিতে কী ধরনের মালামাল পরিবহন করা হচ্ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এই ঘটনার পর থেকে ওমান উপসাগর এলাকায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান ইতোমধ্যে এই ঘটনাকে 'সশস্ত্র জলদস্যুতা' হিসেবে আখ্যা দিয়ে পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত