রানাপ্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ। ২০১৩ সালের এই দিনে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এই শিল্প দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৬ জন শ্রমজীবী মানুষ প্রাণ হারান। আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছিলেন আরও দুই হাজার। এত বছরেও বিচারের অপেক্ষায় আছে ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রানা প্লাজার সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সংগঠন ক্ষতিপূরণ আদায় সংগ্রাম কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে সাতটি দাবি জানানো হয়। পরে নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হয়। বিভিন্ন শ্রমিক ও সামাজিক সংগঠন আজও নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার পর মোট ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) একটি মামলা করে। এছাড়া দুর্নীতি ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি এবং অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে দুদকের দায়ের করা সম্পদের তথ্য গোপনের মামলাটি কেবল নিষ্পত্তি হয়েছে। এই মামলায় ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট সোহেল রানাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ-৬-এর বিচারক। এছাড়া ভবন নির্মাণ দুর্নীতির মামলাটি যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। বাকি তিনটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে এবং একটির কার্যক্রম স্থগিত আছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলাটি গত বছরের ১২ অক্টোবর জেলা জজ আদালত থেকে ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি হয়। এখানে নতুন করে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। ফলে মোট ৫৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। আদালত আগামী ৩০ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রানাপ্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ। ২০১৩ সালের এই দিনে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এই শিল্প দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৬ জন শ্রমজীবী মানুষ প্রাণ হারান। আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছিলেন আরও দুই হাজার। এত বছরেও বিচারের অপেক্ষায় আছে ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রানা প্লাজার সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সংগঠন ক্ষতিপূরণ আদায় সংগ্রাম কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে সাতটি দাবি জানানো হয়। পরে নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হয়। বিভিন্ন শ্রমিক ও সামাজিক সংগঠন আজও নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার পর মোট ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) একটি মামলা করে। এছাড়া দুর্নীতি ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুটি এবং অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে দুদকের দায়ের করা সম্পদের তথ্য গোপনের মামলাটি কেবল নিষ্পত্তি হয়েছে। এই মামলায় ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট সোহেল রানাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ-৬-এর বিচারক। এছাড়া ভবন নির্মাণ দুর্নীতির মামলাটি যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। বাকি তিনটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে এবং একটির কার্যক্রম স্থগিত আছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলাটি গত বছরের ১২ অক্টোবর জেলা জজ আদালত থেকে ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি হয়। এখানে নতুন করে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। ফলে মোট ৫৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। আদালত আগামী ৩০ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন