হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত শাশুড়ি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি কথিত ‘টিকটক প্রেমিক’ শিপন আহমেদ সেবুলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার রাধানগর গ্রামের মৃত সাহেদ আলীর ছেলে শিপন আহমেদ সেবুল (২৭), একই গ্রামের সামসুদ্দিনের ছেলে আফজল হোসেন (২৬) এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের নুরুল আমীনের ছেলে জোবায়ের হোসেন (২৩)।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী প্রবাসে (দুবাই) থাকায় তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে বাড়িতে বসবাস করতেন।
এর আগে গত ১৬ মার্চ সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসীর হাত-পা বাঁধা এবং মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ মার্চ পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
জবানবন্দিতে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে তামান্না আক্তারের সঙ্গে শিপন আহমেদ সেবুলের পরিচয় হয়।পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে শিপনসহ আরও কয়েকজন বাড়িতে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় ফেরদৌসী ইসলাম বাধা দিলে তাকে হাত-পা বেঁধে এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত শাশুড়ি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি কথিত ‘টিকটক প্রেমিক’ শিপন আহমেদ সেবুলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার রাধানগর গ্রামের মৃত সাহেদ আলীর ছেলে শিপন আহমেদ সেবুল (২৭), একই গ্রামের সামসুদ্দিনের ছেলে আফজল হোসেন (২৬) এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের নুরুল আমীনের ছেলে জোবায়ের হোসেন (২৩)।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী প্রবাসে (দুবাই) থাকায় তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে বাড়িতে বসবাস করতেন।
এর আগে গত ১৬ মার্চ সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসীর হাত-পা বাঁধা এবং মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ মার্চ পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
জবানবন্দিতে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে তামান্না আক্তারের সঙ্গে শিপন আহমেদ সেবুলের পরিচয় হয়।পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে শিপনসহ আরও কয়েকজন বাড়িতে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় ফেরদৌসী ইসলাম বাধা দিলে তাকে হাত-পা বেঁধে এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন