সংবাদ

আলোক ফাঁদে কুপোকাত ক্ষতিকর পোকা


আশরাফুল ইসলাম, তারাগঞ্জ (রংপুর)
আশরাফুল ইসলাম, তারাগঞ্জ (রংপুর)
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম

আলোক ফাঁদে কুপোকাত ক্ষতিকর পোকা
ছবি : সংবাদ

রংপুরের তারাগঞ্জে আমন ধানখেতে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনে পরিবেশবান্ধব ‘আলোক ফাঁদ’ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নিবিড় তদারকি ও সঠিক নির্দেশনায় এলাকার কৃষকরা এখন বিষমুক্ত উপায়ে পোকা দমনে উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই আলোক ফাঁদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, ধানের প্রধান শত্রু কারেন্ট পোকা (বিপিএইচ), মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা দমনে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় জানান, আলোক ফাঁদ পদ্ধতিটি একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী। এই ফাঁদে পড়া পোকা দেখে কৃষকরা সহজেই বুঝতে পারেন খেতে কোন ধরনের পোকার আক্রমণ ঘটেছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন। এতে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশকের খরচ যেমন কমছে, তেমনি কৃষি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই ধানখেতের আইলে বাতির নিচে সাবান-মিশ্রিত পানির পাত্র রেখে এই ফাঁদ তৈরি করা হচ্ছে। আলোর আকর্ষণে ক্ষতিকর পোকাগুলো উড়ে এসে পানিতে পড়ে মারা যাচ্ছে।

উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের কৃষক জয়তুল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন জানান, আগে তারা না বুঝে জমিতে প্রচুর কীটনাশক ব্যবহার করতেন। এতে চাষের খরচ বেড়ে যেত। এখন কৃষি অফিসের পরামর্শে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে তারা অনেক সুফল পাচ্ছেন। কৃষি বিভাগের এই উদ্যোগ এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

আলোক ফাঁদ স্থাপনকালে উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ও স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত থেকে পদ্ধতিটির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


আলোক ফাঁদে কুপোকাত ক্ষতিকর পোকা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রংপুরের তারাগঞ্জে আমন ধানখেতে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনে পরিবেশবান্ধব ‘আলোক ফাঁদ’ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নিবিড় তদারকি ও সঠিক নির্দেশনায় এলাকার কৃষকরা এখন বিষমুক্ত উপায়ে পোকা দমনে উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই আলোক ফাঁদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, ধানের প্রধান শত্রু কারেন্ট পোকা (বিপিএইচ), মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা দমনে এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় জানান, আলোক ফাঁদ পদ্ধতিটি একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী। এই ফাঁদে পড়া পোকা দেখে কৃষকরা সহজেই বুঝতে পারেন খেতে কোন ধরনের পোকার আক্রমণ ঘটেছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন। এতে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশকের খরচ যেমন কমছে, তেমনি কৃষি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই ধানখেতের আইলে বাতির নিচে সাবান-মিশ্রিত পানির পাত্র রেখে এই ফাঁদ তৈরি করা হচ্ছে। আলোর আকর্ষণে ক্ষতিকর পোকাগুলো উড়ে এসে পানিতে পড়ে মারা যাচ্ছে।

উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের কৃষক জয়তুল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন জানান, আগে তারা না বুঝে জমিতে প্রচুর কীটনাশক ব্যবহার করতেন। এতে চাষের খরচ বেড়ে যেত। এখন কৃষি অফিসের পরামর্শে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে তারা অনেক সুফল পাচ্ছেন। কৃষি বিভাগের এই উদ্যোগ এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

আলোক ফাঁদ স্থাপনকালে উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ও স্থানীয় কৃষকেরা উপস্থিত থেকে পদ্ধতিটির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত