মিথ্যা মামলা দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে সাধারণ মানুষকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে একটি ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল
এইড ক্যাম্প উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আদালতের ওপর চাপ কমাতে এবং মামলা জট নিরসনে লিগ্যাল
এইড সেবাকে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, আদালতে যাওয়ার
আগেই কোনো সমস্যা নিরসনে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা করুন।
কেউ যদি মামলার মাঝামাঝি সময়েও সমঝোতা করতে চান, সরকার সেই ব্যবস্থাও করে দেবে।
লিগ্যাল এইড সেবা পেতে কেউ যদি কোনো বাধার সম্মুখীন হন বা
বঞ্চিত হন, তবে সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি
বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, যারা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কিন্তু সামাজিক বা অন্য
কোনো কারণে আদালতে যেতে পারছেন না, তারা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা
পাবেন।
তিনি আরো বলেন, "আমরা দেশের আদালতগুলো থেকে মামলার
জট কমাতে চাই। আর সে লক্ষ্যেই লিগ্যাল এইড কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করার
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মিথ্যা মামলা দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে সাধারণ মানুষকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে একটি ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল
এইড ক্যাম্প উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আদালতের ওপর চাপ কমাতে এবং মামলা জট নিরসনে লিগ্যাল
এইড সেবাকে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, আদালতে যাওয়ার
আগেই কোনো সমস্যা নিরসনে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা করুন।
কেউ যদি মামলার মাঝামাঝি সময়েও সমঝোতা করতে চান, সরকার সেই ব্যবস্থাও করে দেবে।
লিগ্যাল এইড সেবা পেতে কেউ যদি কোনো বাধার সম্মুখীন হন বা
বঞ্চিত হন, তবে সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি
বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, যারা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কিন্তু সামাজিক বা অন্য
কোনো কারণে আদালতে যেতে পারছেন না, তারা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা
পাবেন।
তিনি আরো বলেন, "আমরা দেশের আদালতগুলো থেকে মামলার
জট কমাতে চাই। আর সে লক্ষ্যেই লিগ্যাল এইড কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করার
উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন