এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের আরও দুই হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে উচ্চতর গ্রেড স্কেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গতকাল শনিবার মে মাসের এমপিও কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মাউশি সূত্রে জানা
গেছে,
এবার মোট ২ হাজার ১ জন
শিক্ষক-কর্মচারী এই সুবিধার আওতায় আসছেন। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার
৭৮২ জন এবং কলেজের ২১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
উচ্চতর গ্রেড পাওয়া
স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮০ জন রাজশাহী অঞ্চলের। এছাড়া
ময়মনসিংহের ২৬০, খুলনার
২৫৩,
বরিশালের ২৩৬,
রংপুরের ২১৩,
ঢাকার ১৯৪,
চট্টগ্রামের ১৫৮,
কুমিল্লার ১২৮ এবং সিলেটের ৬০
জন রয়েছেন।
কলেজের ২১৯ জন
শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৩ জন রাজশাহী অঞ্চলের। এছাড়া খুলনার ৩৭,
কুমিল্লার ২৭,
ঢাকার ২৬,
ময়মনসিংহের ২৩,
বরিশালের ১৭,
রংপুরের ১২,
চট্টগ্রামের ৭ এবং সিলেট
অঞ্চলের ৭ জন রয়েছেন।
অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে এই সভা
অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাউশি অধিদপ্তরের নয়টি অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকরা
অংশগ্রহণ করেন।
প্রতি বছর মে মাসের
সভায় শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এই উচ্চতর গ্রেড প্রদানের
আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বেতন
বৃদ্ধির সুযোগ পেলেন এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের আরও দুই হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে উচ্চতর গ্রেড স্কেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। গতকাল শনিবার মে মাসের এমপিও কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মাউশি সূত্রে জানা
গেছে,
এবার মোট ২ হাজার ১ জন
শিক্ষক-কর্মচারী এই সুবিধার আওতায় আসছেন। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার
৭৮২ জন এবং কলেজের ২১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
উচ্চতর গ্রেড পাওয়া
স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮০ জন রাজশাহী অঞ্চলের। এছাড়া
ময়মনসিংহের ২৬০, খুলনার
২৫৩,
বরিশালের ২৩৬,
রংপুরের ২১৩,
ঢাকার ১৯৪,
চট্টগ্রামের ১৫৮,
কুমিল্লার ১২৮ এবং সিলেটের ৬০
জন রয়েছেন।
কলেজের ২১৯ জন
শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৩ জন রাজশাহী অঞ্চলের। এছাড়া খুলনার ৩৭,
কুমিল্লার ২৭,
ঢাকার ২৬,
ময়মনসিংহের ২৩,
বরিশালের ১৭,
রংপুরের ১২,
চট্টগ্রামের ৭ এবং সিলেট
অঞ্চলের ৭ জন রয়েছেন।
অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে এই সভা
অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাউশি অধিদপ্তরের নয়টি অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকরা
অংশগ্রহণ করেন।
প্রতি বছর মে মাসের
সভায় শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এই উচ্চতর গ্রেড প্রদানের
আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বেতন
বৃদ্ধির সুযোগ পেলেন এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী।

আপনার মতামত লিখুন