প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের অনুমতি মেলেনি। তাদের কোনো পাস বা কার্ড বা প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। একরকম নিষিদ্ধই ছিলেন তারা। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের তালিকা নেয়া হয়েছিলো।
সিলেটের সাংবাদিকতার ইতিহাসে একে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘অপ্রত্যাশিত’ ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন সংবাদকর্মীরা। প্রবেশপত্র না পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের তালিকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার (১ মে) দিবাগত রাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, স্থানীয় সাংবাদিকদের নামে কোনো পাস বা কার্ড ইস্যু করা হবে না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না মিললেও জানানো হয়, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) তদারকি করছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সিলেট সফরে আসায় তাদের মধ্যে আগ্রহ ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের বাদ দিয়ে পুরো কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কর্মসূচি বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেইসবুক পেইজে সরাসরি সম্প্রচার করা হলেও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সেখানে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সাংবাদিক রঞ্জিত সিংহ বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সংগ্রহ করব। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এটি মেনে নেওয়া কঠিন।’
সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাত ১১টায় জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হলো ইনডোর প্রোগ্রামে স্থানীয় সাংবাদিকদের কোনো প্রেস কার্ড দেওয়া হবে না। অথচ এর আগে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সভা করে আমাদের কাছ থেকে তালিকা চেয়েছিলেন। যেহেতু আমার সহকর্মীদের অনাহূত রাখা হয়েছে, তাই ব্যক্তিগত দাওয়াত কার্ড থাকা সত্ত্বেও আমি সেখানে যাইনি।’
সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বিষয়টিকে ‘অপ্রত্যাশিত’ অভিহিত করে বলেন, সব প্রক্রিয়া হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে কার্ড দিতে অস্বীকার করার কোনো ‘সন্তোষজনক’ ব্যাখ্যা তারা পাননি।
সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মইন উদ্দিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের কার্ড দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে তার কোনো এখতিয়ার নেই এবং বিষয়টি এসএসএফ দেখছে। মইন উদ্দিন প্রশ্ন তোলেন, “যদি এমনটিই হয়, তবে কেন আগাম তালিকা নেওয়া হলো?”

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের অনুমতি মেলেনি। তাদের কোনো পাস বা কার্ড বা প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। একরকম নিষিদ্ধই ছিলেন তারা। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের তালিকা নেয়া হয়েছিলো।
সিলেটের সাংবাদিকতার ইতিহাসে একে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘অপ্রত্যাশিত’ ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন সংবাদকর্মীরা। প্রবেশপত্র না পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের তালিকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার (১ মে) দিবাগত রাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, স্থানীয় সাংবাদিকদের নামে কোনো পাস বা কার্ড ইস্যু করা হবে না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না মিললেও জানানো হয়, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) তদারকি করছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সিলেট সফরে আসায় তাদের মধ্যে আগ্রহ ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের বাদ দিয়ে পুরো কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কর্মসূচি বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেইসবুক পেইজে সরাসরি সম্প্রচার করা হলেও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সেখানে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সাংবাদিক রঞ্জিত সিংহ বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সংগ্রহ করব। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এটি মেনে নেওয়া কঠিন।’
সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাত ১১টায় জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হলো ইনডোর প্রোগ্রামে স্থানীয় সাংবাদিকদের কোনো প্রেস কার্ড দেওয়া হবে না। অথচ এর আগে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সভা করে আমাদের কাছ থেকে তালিকা চেয়েছিলেন। যেহেতু আমার সহকর্মীদের অনাহূত রাখা হয়েছে, তাই ব্যক্তিগত দাওয়াত কার্ড থাকা সত্ত্বেও আমি সেখানে যাইনি।’
সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বিষয়টিকে ‘অপ্রত্যাশিত’ অভিহিত করে বলেন, সব প্রক্রিয়া হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে কার্ড দিতে অস্বীকার করার কোনো ‘সন্তোষজনক’ ব্যাখ্যা তারা পাননি।
সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মইন উদ্দিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের কার্ড দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে তার কোনো এখতিয়ার নেই এবং বিষয়টি এসএসএফ দেখছে। মইন উদ্দিন প্রশ্ন তোলেন, “যদি এমনটিই হয়, তবে কেন আগাম তালিকা নেওয়া হলো?”

আপনার মতামত লিখুন