দক্ষিণ লেবাননজুড়ে শনিবার (২ মে) দিনভর হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় লেবানন সীমান্ত আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইসরায়েলি সামরিক
বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে
হিজবুল্লাহর কমপক্ষে ৭০টি সামরিক স্থাপনা এবং ৫০টি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
হামলার আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণের ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে
যাওয়ার নির্দেশ জারি করে।
লেবাননের
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি' (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় টায়ার জেলার সাম্মাইয়েহ শহরে তিনজন
নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় আরও বেশ কয়েকজন প্রাণ
হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল একটি
যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও লেবাননে হামলা থামায়নি ইসরায়েল।
হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইসরায়েলি সেনাদের যুদ্ধবিরতি ‘লঙ্ঘনের’ জবাবে তারাও বেশ
কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েল যেকোনো ‘পরিকল্পিত বা আসন্ন হামলার’ বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার নিজেদের হাতে রেখেছে বলে দাবি করে আসছে।
এদিকে,
শনিবার লেবাননের সেনাপ্রধান
রদলফ হায়কাল সফররত মার্কিন জেনারেল জোসেফ ক্লিয়ারফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
জেনারেল ক্লিয়ারফিল্ড ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ
করছেন। বৈঠকে লেবাননের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি তদারকি কমিটির
কার্যকারিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
গত ২ মার্চ থেকে
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার লড়াই চরম আকার ধারণ করার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায়
লেবাননে এ পর্যন্ত ২,৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননজুড়ে শনিবার (২ মে) দিনভর হিজবুল্লাহর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় লেবানন সীমান্ত আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইসরায়েলি সামরিক
বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে
হিজবুল্লাহর কমপক্ষে ৭০টি সামরিক স্থাপনা এবং ৫০টি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
হামলার আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণের ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে
যাওয়ার নির্দেশ জারি করে।
লেবাননের
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি' (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় টায়ার জেলার সাম্মাইয়েহ শহরে তিনজন
নিহত হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় আরও বেশ কয়েকজন প্রাণ
হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল একটি
যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও লেবাননে হামলা থামায়নি ইসরায়েল।
হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইসরায়েলি সেনাদের যুদ্ধবিরতি ‘লঙ্ঘনের’ জবাবে তারাও বেশ
কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েল যেকোনো ‘পরিকল্পিত বা আসন্ন হামলার’ বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার নিজেদের হাতে রেখেছে বলে দাবি করে আসছে।
এদিকে,
শনিবার লেবাননের সেনাপ্রধান
রদলফ হায়কাল সফররত মার্কিন জেনারেল জোসেফ ক্লিয়ারফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
জেনারেল ক্লিয়ারফিল্ড ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ
করছেন। বৈঠকে লেবাননের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি তদারকি কমিটির
কার্যকারিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
গত ২ মার্চ থেকে
হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার লড়াই চরম আকার ধারণ করার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায়
লেবাননে এ পর্যন্ত ২,৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন