বর্তমান সরকারকে কোনো সেন্সর ছাড়াই উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায় এবং এটিই সরকারের জন্য বড় স্বীকৃতি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
আজ রবিবার (৩ মে)
সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
উপলক্ষে ‘জনআস্থা পুনর্নির্মাণ: বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক
জবাবদিহি’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভার সঞ্চালক
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানের একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে জাহেদ উর
রহমান বলেন, “ইদানীং
এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলোতে এলে মনে হয় সিভিল সোসাইটির অংশ থাকাটাই ভালো ছিল। কারণ
এখানে প্রচুর অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হয়। তবে একটি জিনিস ভালো লাগছে যে,
এই সরকারকে মন খুলে সমালোচনা
করা যাচ্ছে।”
ঢাকা ট্রিবিউন
সম্পাদক জাফর সোবহান এর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন,
“রিয়াজ ভাই যখন সরকারকে বকা
দিচ্ছিলেন, তখন
উনার গলা অনেক চড়ে গিয়েছিল। তিনি কোনো সেন্সর না করেই বকা দিচ্ছিলেন। এটি আমাদের
প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি যে, এই সরকারকে উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায়। আমরা চাই
সমালোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকুক।”
আলোচনা সভায় দেশের
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত
চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংবাদপত্রের সম্পাদক ও
বিশিষ্ট নাগরিকরা গণমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের চাপের কথা তুলে ধরলে উপদেষ্টা সরকারের
পক্ষ থেকে মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
টিআইবি আয়োজিত এই
সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক, সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বর্তমান সরকারকে কোনো সেন্সর ছাড়াই উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায় এবং এটিই সরকারের জন্য বড় স্বীকৃতি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
আজ রবিবার (৩ মে)
সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
উপলক্ষে ‘জনআস্থা পুনর্নির্মাণ: বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক
জবাবদিহি’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভার সঞ্চালক
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানের একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে জাহেদ উর
রহমান বলেন, “ইদানীং
এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলোতে এলে মনে হয় সিভিল সোসাইটির অংশ থাকাটাই ভালো ছিল। কারণ
এখানে প্রচুর অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হয়। তবে একটি জিনিস ভালো লাগছে যে,
এই সরকারকে মন খুলে সমালোচনা
করা যাচ্ছে।”
ঢাকা ট্রিবিউন
সম্পাদক জাফর সোবহান এর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন,
“রিয়াজ ভাই যখন সরকারকে বকা
দিচ্ছিলেন, তখন
উনার গলা অনেক চড়ে গিয়েছিল। তিনি কোনো সেন্সর না করেই বকা দিচ্ছিলেন। এটি আমাদের
প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি যে, এই সরকারকে উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায়। আমরা চাই
সমালোচনার এই ধারা অব্যাহত থাকুক।”
আলোচনা সভায় দেশের
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত
চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংবাদপত্রের সম্পাদক ও
বিশিষ্ট নাগরিকরা গণমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের চাপের কথা তুলে ধরলে উপদেষ্টা সরকারের
পক্ষ থেকে মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
টিআইবি আয়োজিত এই
সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক, সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন