গত কয়েক মাসের অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ও দিল্লি। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই সব ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান শুরু করেছে। এর বিপরীতে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তাদের পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
শনিবার (২ মে)
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গত মাসে বাংলাদেশের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরকালে ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়টি
গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। বর্তমানে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ কলকাতা, আগরতলা, মুম্বাই
ও চেন্নাইয়ের সকল কনস্যুলার বিভাগে ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে সচল রয়েছে। এই
প্রেক্ষাপটে ঢাকাও দ্রুততম সময়ে দিল্লির পক্ষ থেকে একই ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপ
প্রত্যাশা করছে।
ভারতে নিযুক্ত
বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে কিছু কেন্দ্রে সাময়িক জটিলতা থাকলেও
ফেব্রুয়ারি থেকে সব কেন্দ্র পুনরায় চালু করা হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর
তা কাটিয়ে ওঠার নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধি
দলের অংশগ্রহণ সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করার অন্যতম ইঙ্গিত ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ভিসা প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক
হওয়ার পর উভয় দেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জ্বালানি সংযোগসহ পারস্পরিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেবে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ
পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করে
সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের
রাজনৈতিক যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
গত কয়েক মাসের অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ও দিল্লি। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই সব ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান শুরু করেছে। এর বিপরীতে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তাদের পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
শনিবার (২ মে)
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গত মাসে বাংলাদেশের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরকালে ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়টি
গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। বর্তমানে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ কলকাতা, আগরতলা, মুম্বাই
ও চেন্নাইয়ের সকল কনস্যুলার বিভাগে ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে সচল রয়েছে। এই
প্রেক্ষাপটে ঢাকাও দ্রুততম সময়ে দিল্লির পক্ষ থেকে একই ধরনের ইতিবাচক পদক্ষেপ
প্রত্যাশা করছে।
ভারতে নিযুক্ত
বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে কিছু কেন্দ্রে সাময়িক জটিলতা থাকলেও
ফেব্রুয়ারি থেকে সব কেন্দ্র পুনরায় চালু করা হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর
তা কাটিয়ে ওঠার নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধি
দলের অংশগ্রহণ সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করার অন্যতম ইঙ্গিত ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ভিসা প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক
হওয়ার পর উভয় দেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জ্বালানি সংযোগসহ পারস্পরিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেবে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ
পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করে
সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের
রাজনৈতিক যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন