সংবাদ

অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযোগ গঠন

বিচারের কাঠগড়ায় সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম

বিচারের কাঠগড়ায় সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হয়েছে।

রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত- এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ মে দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে জোরালো শুনানি করেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে গত মার্চ আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে সাবেক এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দিলেন।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ১২ কোটি টাকার সম্পদ দেখালেও বাস্তবে তার ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি এবং অস্থাবর সম্পদ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে প্রায় কোটি ৫৯ লাখ টাকা শনাক্ত করা হয়েছে। পারিবারিক ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় হওয়ার কথা ছিল কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে তার প্রায় ১১ কোটি লাখ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সাবেক এই আইজিপি অবৈধ অর্থের উৎস গোপন করতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর রূপান্তর করেছেন। আগামী ১৩ মে থেকে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


বিচারের কাঠগড়ায় সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হয়েছে।

রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত- এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ মে দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে জোরালো শুনানি করেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে গত মার্চ আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে সাবেক এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দিলেন।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ১২ কোটি টাকার সম্পদ দেখালেও বাস্তবে তার ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি এবং অস্থাবর সম্পদ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে প্রায় কোটি ৫৯ লাখ টাকা শনাক্ত করা হয়েছে। পারিবারিক ব্যয় বাদ দিলে তার নিট সঞ্চয় হওয়ার কথা ছিল কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে তার প্রায় ১১ কোটি লাখ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সাবেক এই আইজিপি অবৈধ অর্থের উৎস গোপন করতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর রূপান্তর করেছেন। আগামী ১৩ মে থেকে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত