কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় এই বহুল প্রতীক্ষিত প্রক্রিয়া। তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম ও পুদুচেরিতে ভোট গণনা চললেও গোটা ভারতের নজর এখন পশ্চিমবঙ্গের দিকে। তৃণমূলের ‘হ্যাটট্রিক’ নাকি বিজেপির ‘পরিবর্তন’ কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ছে, তা নিয়েই এখন উত্তপ্ত রাজনীতির মাঠ।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন ২৯৪টি হলেও আজ গণনা চলছে ২৯৩টি আসনে। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে নির্বাচনী অপরাধ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই কেন্দ্রে আগামী ২১ মে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং এরপর ধাপে ধাপে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গণনা করা হবে।
২০১১ সালে দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ পরপর দুই নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে ক্ষমতা ধরে রাখে তারা। তবে গত এক দশকে রাজনীতির সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে।
তৃণমূল কংগ্রেস: টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকার।
বিজেপি: ২০১৬ সাল থেকে উত্থান শুরু হওয়া বিজেপি এবার তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের নেতৃত্বে কোমর বেঁধে নেমেছে গেরুয়া শিবির।
বাম-কংগ্রেস: এক সময়ের দাপুটে এই জোট ক্রমশ দুর্বল হলেও কিছু পকেটে তারা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আজ ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে আরও চার রাজ্যের:
আসাম: এখানে লড়াই মূলত ক্ষমতাসীন গেরুয়া শিবিরের সাথে কংগ্রেসের।
কেরালা: বুথফেরত সমীক্ষায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত থাকলেও ইভিএমের ফলের অপেক্ষায় বাম ও ইউডিএফ শিবির।
তামিলনাড়ু: বিভিন্ন সংস্থার জরিপ বলছে, এই দক্ষিণী রাজ্যে এবার বড়সড় ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে।
যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে প্রতিটি গণনা কেন্দ্রের বাইরে আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিকেলের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দিল্লির মসনদের কারিগররা বাংলার মসনদে কাকে বসাচ্ছেন।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় এই বহুল প্রতীক্ষিত প্রক্রিয়া। তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম ও পুদুচেরিতে ভোট গণনা চললেও গোটা ভারতের নজর এখন পশ্চিমবঙ্গের দিকে। তৃণমূলের ‘হ্যাটট্রিক’ নাকি বিজেপির ‘পরিবর্তন’ কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ছে, তা নিয়েই এখন উত্তপ্ত রাজনীতির মাঠ।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন ২৯৪টি হলেও আজ গণনা চলছে ২৯৩টি আসনে। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে নির্বাচনী অপরাধ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই কেন্দ্রে আগামী ২১ মে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং এরপর ধাপে ধাপে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গণনা করা হবে।
২০১১ সালে দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ পরপর দুই নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে ক্ষমতা ধরে রাখে তারা। তবে গত এক দশকে রাজনীতির সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে।
তৃণমূল কংগ্রেস: টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া ‘মা-মাটি-মানুষ’ সরকার।
বিজেপি: ২০১৬ সাল থেকে উত্থান শুরু হওয়া বিজেপি এবার তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের নেতৃত্বে কোমর বেঁধে নেমেছে গেরুয়া শিবির।
বাম-কংগ্রেস: এক সময়ের দাপুটে এই জোট ক্রমশ দুর্বল হলেও কিছু পকেটে তারা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আজ ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে আরও চার রাজ্যের:
আসাম: এখানে লড়াই মূলত ক্ষমতাসীন গেরুয়া শিবিরের সাথে কংগ্রেসের।
কেরালা: বুথফেরত সমীক্ষায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত থাকলেও ইভিএমের ফলের অপেক্ষায় বাম ও ইউডিএফ শিবির।
তামিলনাড়ু: বিভিন্ন সংস্থার জরিপ বলছে, এই দক্ষিণী রাজ্যে এবার বড়সড় ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে।
যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে প্রতিটি গণনা কেন্দ্রের বাইরে আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিকেলের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দিল্লির মসনদের কারিগররা বাংলার মসনদে কাকে বসাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন