সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফে ইয়াবা ও আইসের বড় চালানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সোমবার ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালি এলাকার একটি ইটভাটায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা বলে জানানো হয়েছে। অভিযানের সময় মাদক ও আইসের পাশাপাশি ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অস্ত্র ও মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুরুল কবিরকে আটক করেছে নৌবাহিনী। পরে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইএসপিআর-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজা-উল-করিম শাম্মী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে মাদক এবং অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অভিযান অব্যাহত রেখেছে।” দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, রাজধানীর পুরান ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ওয়ারী থানাধীন লালমোহন সাহা স্ট্রিটে গত রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এই অভিযান চালায়। মাদকবাহী একটি কালো রঙের প্রিমিও প্রাইভেটকার তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চট্টগ্রামের দুর্জয় দত্ত এবং টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার ফরিদুল আলম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান ঢাকায় আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ারীর ধোলাইখাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয় ডিএনসি টিম। আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন অভিজাত এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করে আসছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এই চক্রের মূল হোতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফে ইয়াবা ও আইসের বড় চালানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সোমবার ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালি এলাকার একটি ইটভাটায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা বলে জানানো হয়েছে। অভিযানের সময় মাদক ও আইসের পাশাপাশি ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অস্ত্র ও মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুরুল কবিরকে আটক করেছে নৌবাহিনী। পরে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইএসপিআর-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজা-উল-করিম শাম্মী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে মাদক এবং অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অভিযান অব্যাহত রেখেছে।” দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, রাজধানীর পুরান ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ওয়ারী থানাধীন লালমোহন সাহা স্ট্রিটে গত রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এই অভিযান চালায়। মাদকবাহী একটি কালো রঙের প্রিমিও প্রাইভেটকার তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চট্টগ্রামের দুর্জয় দত্ত এবং টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার ফরিদুল আলম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান ঢাকায় আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ারীর ধোলাইখাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয় ডিএনসি টিম। আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন অভিজাত এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করে আসছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এই চক্রের মূল হোতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন