টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ৩০০ হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার শত শত কৃষক।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার (২ মে) নিজের জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়া দেখে আহাদ মিয়া নামের এক কৃষক মাঠেই মারা যান। তার এই মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।
ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে রোববার (৩ মে) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বসির উদ্দীন তুহিন প্রমুখ।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরে তিনি প্রয়াত কৃষক আহাদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ক্ষতিগ্রস্ত অন্য কৃষকদের জন্যও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন, যাতে তাঁরা এই লোকসান কাটিয়ে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ৩০০ হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার শত শত কৃষক।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার (২ মে) নিজের জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়া দেখে আহাদ মিয়া নামের এক কৃষক মাঠেই মারা যান। তার এই মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।
ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে রোববার (৩ মে) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বসির উদ্দীন তুহিন প্রমুখ।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরে তিনি প্রয়াত কৃষক আহাদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ক্ষতিগ্রস্ত অন্য কৃষকদের জন্যও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন, যাতে তাঁরা এই লোকসান কাটিয়ে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন