সংবাদ

মানবিকতার এক অনন্য উদ্যোগ ‘অমর্ত্য পাঠশালা'


প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

মানবিকতার এক অনন্য উদ্যোগ ‘অমর্ত্য পাঠশালা'
'অমর্ত্য পাঠশালায়' শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম। ছবিঃ সংবাদ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার রুয়েরকুল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবহেলিত ও দরিদ্র শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে ‘অমর্ত্য পাঠশালা'। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা থাকায় পাঠশালাটি ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

২০২৩ সালে স্থানীয় ভগিরথ মণ্ডলের বাড়িতে এ পাঠশালার কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে সপ্তাহে পাঁচ দিন, রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নিয়মিত পাঠদান কর্মসূচি চলছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী শিক্ষানুরাগী ফজলুল বারীর উদ্যোগে ‘অমর্ত্য ফাউন্ডেশন’-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ পাঠশালার কার্যক্রমে স্থানীয়দের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য। গ্রামের অনেকেই শিশুদের জন্য মাছ, সবজি কিংবা আর্থিক সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করছেন। কেউ কেউ প্রিয়জনদের স্মরণে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা করছেন।

পাঠশালার শিক্ষিকা শুক্লা মণ্ডল জানান, "একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।"

উপকারভোগী অভিভাবকরা জানান, দারিদ্র্যের কারণে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহন করা তাদের জন্য কঠিন ছিল। ‘অমর্ত্য পাঠশালা’ সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই লাঘব করেছে। তারা এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সমাজের বিত্তবানদের আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। দেশ-বিদেশের মানুষের সহায়তায় পরিচালিত এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং অবহেলিত শিশুদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে বলে তারা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


মানবিকতার এক অনন্য উদ্যোগ ‘অমর্ত্য পাঠশালা'

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার রুয়েরকুল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবহেলিত ও দরিদ্র শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে ‘অমর্ত্য পাঠশালা'। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা থাকায় পাঠশালাটি ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

২০২৩ সালে স্থানীয় ভগিরথ মণ্ডলের বাড়িতে এ পাঠশালার কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে সপ্তাহে পাঁচ দিন, রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নিয়মিত পাঠদান কর্মসূচি চলছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী শিক্ষানুরাগী ফজলুল বারীর উদ্যোগে ‘অমর্ত্য ফাউন্ডেশন’-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ পাঠশালার কার্যক্রমে স্থানীয়দের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য। গ্রামের অনেকেই শিশুদের জন্য মাছ, সবজি কিংবা আর্থিক সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করছেন। কেউ কেউ প্রিয়জনদের স্মরণে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা করছেন।

পাঠশালার শিক্ষিকা শুক্লা মণ্ডল জানান, "একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।"

উপকারভোগী অভিভাবকরা জানান, দারিদ্র্যের কারণে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহন করা তাদের জন্য কঠিন ছিল। ‘অমর্ত্য পাঠশালা’ সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই লাঘব করেছে। তারা এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সমাজের বিত্তবানদের আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। দেশ-বিদেশের মানুষের সহায়তায় পরিচালিত এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং অবহেলিত শিশুদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে বলে তারা আশা করছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত