বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এবারের ভোটে মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে “মেরুকরণ নয়, বরং ভাঙন” হয়েছে এবং এই পরিবর্তনই রাজ্যের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলছে।
শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, এতদিন যে মুসলিম ভোট একতরফাভাবে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে যেত, এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গেছে। তার দাবি, মুসলিম ভোটাররা আর একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে হয়ে ভোট দেননি বরং বিভিন্ন দল ও প্রার্থীর মধ্যে সেই ভোট ভাগ হয়ে গেছে। এই “ভোটের বিভাজন” বা তার কথায় “মেরুকরণের বদলে ছড়িয়ে পড়া সমর্থন”, বিজেপির পক্ষে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা যেমন মুর্শিদাবাদ , মালদা এবং উত্তর দিনাজপুর; এই জায়গাগুলোতেও বিজেপির এগিয়ে থাকার ট্রেন্ড সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন।
তার ব্যাখ্যায়, একদিকে হিন্দু ভোটের বড় অংশ একত্রিত হয়েছে, অন্যদিকে মুসলিম ভোট একাধিক শক্তির মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ায় আগের মতো কোনও একটি দল সেই ভোট পুরোটা পায়নি।
নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু জানান, কিছু মুসলিম অধ্যুষিত বুথে বিজেপি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভোট পেয়েছে, যা তার মতে, এই পরিবর্তিত ভোট আচরণেরই প্রমাণ। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে নতুন শক্তি হিসেবে ওঠা হুমায়ুন কবিরের মতো নেতারাও মুসলিম ভোটে প্রভাব ফেলেছেন, ফলে ভোট আরও বিভক্ত হয়েছে।
সব মিলিয়ে শুভেন্দুর মূল বার্তা; এই নির্বাচনে মুসলিম ভোটের ঐতিহ্যগত একমুখী ধারা ভেঙে বহুমুখী হয়েছে, আর সেটাই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এবারের ভোটে মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে “মেরুকরণ নয়, বরং ভাঙন” হয়েছে এবং এই পরিবর্তনই রাজ্যের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলছে।
শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, এতদিন যে মুসলিম ভোট একতরফাভাবে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে যেত, এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গেছে। তার দাবি, মুসলিম ভোটাররা আর একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে হয়ে ভোট দেননি বরং বিভিন্ন দল ও প্রার্থীর মধ্যে সেই ভোট ভাগ হয়ে গেছে। এই “ভোটের বিভাজন” বা তার কথায় “মেরুকরণের বদলে ছড়িয়ে পড়া সমর্থন”, বিজেপির পক্ষে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা যেমন মুর্শিদাবাদ , মালদা এবং উত্তর দিনাজপুর; এই জায়গাগুলোতেও বিজেপির এগিয়ে থাকার ট্রেন্ড সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন।
তার ব্যাখ্যায়, একদিকে হিন্দু ভোটের বড় অংশ একত্রিত হয়েছে, অন্যদিকে মুসলিম ভোট একাধিক শক্তির মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ায় আগের মতো কোনও একটি দল সেই ভোট পুরোটা পায়নি।
নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু জানান, কিছু মুসলিম অধ্যুষিত বুথে বিজেপি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভোট পেয়েছে, যা তার মতে, এই পরিবর্তিত ভোট আচরণেরই প্রমাণ। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে নতুন শক্তি হিসেবে ওঠা হুমায়ুন কবিরের মতো নেতারাও মুসলিম ভোটে প্রভাব ফেলেছেন, ফলে ভোট আরও বিভক্ত হয়েছে।
সব মিলিয়ে শুভেন্দুর মূল বার্তা; এই নির্বাচনে মুসলিম ভোটের ঐতিহ্যগত একমুখী ধারা ভেঙে বহুমুখী হয়েছে, আর সেটাই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন