যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসা ক্ষুদে ক্রীড়াবিদদের পর্যায়ক্রমে বিকেএসপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সারাদেশে একযোগে ৮টি ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা চলছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর সার্বিক খবর রাখছেন।
সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দুধসর এলাকায় বিকেএসপির প্রস্তাবিত আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের স্থান পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো সারাদেশে যেখানেই খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই খেলার মাঠ তৈরি করা। আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। পাশাপাশি নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়াঙ্গনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে।’
সরকারের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে আমিনুল হক বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই অনেকগুলো উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেছেন। আগামী পাঁচ বছরে ক্রীড়া খাতসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বৃহৎ পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হবে। বিকেএসপির ঢাকার মূল কেন্দ্রের পাশাপাশি সাতটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিকেএসপির মহাপরিচালককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস থেকে বাছাইকৃত প্রতিভাবান শিশুদের বিকেএসপিতে ভর্তি করা হবে। সরকারি খরচে তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার যাবতীয় দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে। ঝিনাইদহসহ প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। এর আগে তিনি প্রস্তাবিত স্থানটি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।
আপনার মতামত লিখুন