ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে পয়েন্ট সিস্টেম চালু করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিআরটিএ।
প্রতি লাইসেন্সের জন্য বরাদ্দ ১২ পয়েন্ট। আর এই ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল হবে লাইসেন্স। পাশাপাশি করা হতে পারে জরিমানা, দেওয়া হতে পারে জেলও।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরযান চালকের জন্য সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অমান্য করার কারণে জরিমানা বা কারাদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে পয়েন্ট কর্তন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, আইনের ধারা ১১ (১) অনুযায়ী যেকোনো ড্রাইভিং লাইসেন্সের (পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স) বিপরীতে বরাদ্দকৃত সর্বমোট পয়েন্ট হবে ১২। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা পর্যায়ক্রমে লঙ্ঘনের কারণে ১২ পয়েন্ট কর্তন হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।
ট্রাফিক সাইন বা সংকেত না মানলে এক পয়েন্ট কাটা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, মোটরযান বাণিজ্যিক ব্যবহার সংক্রান্ত ধারা ৩১ এর বিধান লঙ্ঘন, গণপরিবহনে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ও অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায়, কন্ট্রাক্ট ক্যারিজের মিটার অবৈধভাবে পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায়, মোটরযানের গতিসীমা লঙ্ঘন, উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টি, পরিবেশ দূষণকারী মোটরযান চালানো, অবৈধভাবে পার্কিং এবং নির্ধারিত জায়গার বাইরে যাত্রী বা পণ্য উঠানামা করালে, মহাসড়কের ব্যবহার সংক্রান্ত লঙ্ঘন, মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী লঙ্ঘন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত ধারা লঙ্ঘন করলে এক পয়েন্ট করে কাটা যাবে।
এছাড়া অতিরিক্ত ওজন বহন করে মোটরযান চালালে ও ইচ্ছে করে পথ আটকিয়ে মোটরযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে দুই পয়েন্ট করে কর্তন করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে পয়েন্ট সিস্টেম চালু করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিআরটিএ।
প্রতি লাইসেন্সের জন্য বরাদ্দ ১২ পয়েন্ট। আর এই ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল হবে লাইসেন্স। পাশাপাশি করা হতে পারে জরিমানা, দেওয়া হতে পারে জেলও।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরযান চালকের জন্য সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অমান্য করার কারণে জরিমানা বা কারাদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে পয়েন্ট কর্তন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, আইনের ধারা ১১ (১) অনুযায়ী যেকোনো ড্রাইভিং লাইসেন্সের (পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স) বিপরীতে বরাদ্দকৃত সর্বমোট পয়েন্ট হবে ১২। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা পর্যায়ক্রমে লঙ্ঘনের কারণে ১২ পয়েন্ট কর্তন হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।
ট্রাফিক সাইন বা সংকেত না মানলে এক পয়েন্ট কাটা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, মোটরযান বাণিজ্যিক ব্যবহার সংক্রান্ত ধারা ৩১ এর বিধান লঙ্ঘন, গণপরিবহনে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন ও অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায়, কন্ট্রাক্ট ক্যারিজের মিটার অবৈধভাবে পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি বা আদায়, মোটরযানের গতিসীমা লঙ্ঘন, উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টি, পরিবেশ দূষণকারী মোটরযান চালানো, অবৈধভাবে পার্কিং এবং নির্ধারিত জায়গার বাইরে যাত্রী বা পণ্য উঠানামা করালে, মহাসড়কের ব্যবহার সংক্রান্ত লঙ্ঘন, মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী লঙ্ঘন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত ধারা লঙ্ঘন করলে এক পয়েন্ট করে কাটা যাবে।
এছাড়া অতিরিক্ত ওজন বহন করে মোটরযান চালালে ও ইচ্ছে করে পথ আটকিয়ে মোটরযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে দুই পয়েন্ট করে কর্তন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন