ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ পর্যবেক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এটি ভারতের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এর ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন
ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব বিষয়। সেখানে সে দেশের জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে সরকার
গঠন করবেন, তাদের সঙ্গেই বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে,
পশ্চিমবঙ্গকে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই; কারণ দুই দেশের মধ্যকার যেকোনো চুক্তি বা
সম্পর্ক রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই সম্পাদিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের
সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। উপদেষ্টার
মতে: ভারতের রাজ্যভিত্তিক নির্বাচনের ফলাফল দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে প্রভাবিত
করবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় বাংলাদেশকে নিয়ে আসা বিভিন্ন মন্তব্য মূলত ‘রাজনৈতিক
বক্তব্য’ এবং এগুলো দুই দেশের সহযোগিতার পথে বাধা হবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার গঠনের পর দুই দেশের
মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে চলবে। ভারত
বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং এই সম্পর্কের গুরুত্ব উভয় রাষ্ট্রই
স্বীকার করে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ পর্যবেক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এটি ভারতের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এর ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন
ভারতের সম্পূর্ণ নিজস্ব বিষয়। সেখানে সে দেশের জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে সরকার
গঠন করবেন, তাদের সঙ্গেই বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে,
পশ্চিমবঙ্গকে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই; কারণ দুই দেশের মধ্যকার যেকোনো চুক্তি বা
সম্পর্ক রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই সম্পাদিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের
সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। উপদেষ্টার
মতে: ভারতের রাজ্যভিত্তিক নির্বাচনের ফলাফল দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে প্রভাবিত
করবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় বাংলাদেশকে নিয়ে আসা বিভিন্ন মন্তব্য মূলত ‘রাজনৈতিক
বক্তব্য’ এবং এগুলো দুই দেশের সহযোগিতার পথে বাধা হবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার গঠনের পর দুই দেশের
মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে চলবে। ভারত
বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং এই সম্পর্কের গুরুত্ব উভয় রাষ্ট্রই
স্বীকার করে।

আপনার মতামত লিখুন