শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস (বৈদ্যুতিক বাস) আমদানিতে কোনো ধরনের শুল্ক বা কর দিতে হবে না।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি
নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ
উর রহমান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে
এবং সড়কে ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ কমাতে সরকার বৈদ্যুতিক যানবাহনকে উৎসাহিত করছে। এরই
অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক হার শূন্যে নামিয়ে
আনা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত
একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের
জন্য বাস আমদানিতে নিচের করগুলো পুরোপুরি মওকুফ করা হয়েছে: কাস্টমস ডিউটি ও রেগুলেটরি
ডিউটি। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক। আগাম কর (এটি) এবং অগ্রিম আয়কর।
সরকারের এই বিশেষ সুবিধা পেতে আমদানিকৃত বাসের ক্ষেত্রে কিছু
নির্দিষ্ট শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে: ১. ব্যবহারকারী: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে কিংবা
প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য কোনো সংস্থা যদি কেবল শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের উদ্দেশ্যে বাস
আমদানি করে, তবেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ২. রং: বাসের রং অবশ্যই হলুদ
হতে হবে। ৩. চিহ্নিতকরণ: বাসের গায়ে ‘স্কুল’, ‘কলেজ’ বা ‘স্টুডেন্ট বাস’ শব্দগুলো
বড় অক্ষরে এবং স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে।
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “ভবিষ্যতে আমাদের সামগ্রিকভাবে
বিদ্যুতের দিকেই যেতে হবে। পরিবেশ রক্ষা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
শিক্ষার্থীদের জন্য বৈদ্যুতিক বাস চালুর মাধ্যমে আমরা একটি আধুনিক ও দূষণমুক্ত যাতায়াত
ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই।”

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস (বৈদ্যুতিক বাস) আমদানিতে কোনো ধরনের শুল্ক বা কর দিতে হবে না।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি
নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ
উর রহমান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে
এবং সড়কে ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ কমাতে সরকার বৈদ্যুতিক যানবাহনকে উৎসাহিত করছে। এরই
অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক হার শূন্যে নামিয়ে
আনা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত
একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের
জন্য বাস আমদানিতে নিচের করগুলো পুরোপুরি মওকুফ করা হয়েছে: কাস্টমস ডিউটি ও রেগুলেটরি
ডিউটি। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক। আগাম কর (এটি) এবং অগ্রিম আয়কর।
সরকারের এই বিশেষ সুবিধা পেতে আমদানিকৃত বাসের ক্ষেত্রে কিছু
নির্দিষ্ট শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে: ১. ব্যবহারকারী: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে কিংবা
প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য কোনো সংস্থা যদি কেবল শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের উদ্দেশ্যে বাস
আমদানি করে, তবেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ২. রং: বাসের রং অবশ্যই হলুদ
হতে হবে। ৩. চিহ্নিতকরণ: বাসের গায়ে ‘স্কুল’, ‘কলেজ’ বা ‘স্টুডেন্ট বাস’ শব্দগুলো
বড় অক্ষরে এবং স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে।
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “ভবিষ্যতে আমাদের সামগ্রিকভাবে
বিদ্যুতের দিকেই যেতে হবে। পরিবেশ রক্ষা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
শিক্ষার্থীদের জন্য বৈদ্যুতিক বাস চালুর মাধ্যমে আমরা একটি আধুনিক ও দূষণমুক্ত যাতায়াত
ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই।”

আপনার মতামত লিখুন