সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে গোয়ালডাঙ্গা বাজার রক্ষা বাঁধের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম হাতেনাতে ধরা পড়ার পর কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মরিচ্চাপ নদী পুনঃখননের পর স্রোতের তীব্রতায় গোয়ালডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন বাঁধে ভাঙন শুরু হয়। এতে বাজারের অসংখ্য দোকানপাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই বাজারটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করে। খুলনার ‘আমিন অ্যান্ড কোং’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
সিডিউল অনুযায়ী, পাইলিং করার পর তার ভেতরে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার কথা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ১০০-১৫০ ফুট এলাকায় পাইলিং ছাড়াই জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছিল। শনিবার (৯ মে) স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই অনিয়ম দেখে ইউএনও এবং পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে (এসডিই) অবহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।
পাউবোর এসডিই রাশিদুল ইসলাম বলেন, “পাইলিংয়ের ভেতরেই কাজ করার নিয়ম। আমি তাদের নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দিয়ে এসেছি। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে গোয়ালডাঙ্গা বাজার রক্ষা বাঁধের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম হাতেনাতে ধরা পড়ার পর কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মরিচ্চাপ নদী পুনঃখননের পর স্রোতের তীব্রতায় গোয়ালডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন বাঁধে ভাঙন শুরু হয়। এতে বাজারের অসংখ্য দোকানপাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই বাজারটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করে। খুলনার ‘আমিন অ্যান্ড কোং’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
সিডিউল অনুযায়ী, পাইলিং করার পর তার ভেতরে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার কথা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ১০০-১৫০ ফুট এলাকায় পাইলিং ছাড়াই জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছিল। শনিবার (৯ মে) স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই অনিয়ম দেখে ইউএনও এবং পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে (এসডিই) অবহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।
পাউবোর এসডিই রাশিদুল ইসলাম বলেন, “পাইলিংয়ের ভেতরেই কাজ করার নিয়ম। আমি তাদের নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দিয়ে এসেছি। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, “আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন