ফরিদপুর শহরের পথচারীদের কাছে দীর্ঘদিনের এক আতঙ্কের নাম ছিল ‘তুফান’ (৩৫)। শরীরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিনব কায়দায় ছিনতাই করতেন তিনি। অবশেষে গতকাল শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকা থেকে তুফানকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তুফান শহরের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মূলত মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জোগাড় করতে শহরের নির্জন এলাকায় পথচারীদের গতিরোধ করাই ছিল তার কাজ। এ সময় তার হাতে থাকত রক্তভর্তি সিরিঞ্জ। ‘টাকা না দিলে বিষাক্ত রক্ত শরীরে ঢুকিয়ে দেব’ এমন হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ মানুষ সর্বস্ব দিয়ে দিতে বাধ্য হতো।
শুক্রবার (৮ মে) রাতে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন স্থানীয় সাংবাদিক শ্রাবণ হাসান। ইজিবাইক থেকে নামার পর তাকে সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে দুই দফায় টাকা হাতিয়ে নেন তুফান। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকের দেওয়া পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে শহরে তোলপাড় শুরু হয়। অনেকেই জানান, সামাজিক মর্যাদা ও আতঙ্কের কারণে এতদিন তারা মুখ খোলেননি।
শনিবার দুপুরে আবারও ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আলীপুর ব্রিজ এলাকায় জনতা তাকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, গ্রেপ্তার তুফানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শহরে ছিনতাই ও মাদক দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ফরিদপুর শহরের পথচারীদের কাছে দীর্ঘদিনের এক আতঙ্কের নাম ছিল ‘তুফান’ (৩৫)। শরীরে রক্তভর্তি সিরিঞ্জ ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিনব কায়দায় ছিনতাই করতেন তিনি। অবশেষে গতকাল শনিবার (৯ মে) দুপুরে শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকা থেকে তুফানকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তুফান শহরের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মূলত মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জোগাড় করতে শহরের নির্জন এলাকায় পথচারীদের গতিরোধ করাই ছিল তার কাজ। এ সময় তার হাতে থাকত রক্তভর্তি সিরিঞ্জ। ‘টাকা না দিলে বিষাক্ত রক্ত শরীরে ঢুকিয়ে দেব’ এমন হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ মানুষ সর্বস্ব দিয়ে দিতে বাধ্য হতো।
শুক্রবার (৮ মে) রাতে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন স্থানীয় সাংবাদিক শ্রাবণ হাসান। ইজিবাইক থেকে নামার পর তাকে সিরিঞ্জ ঠেকিয়ে দুই দফায় টাকা হাতিয়ে নেন তুফান। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকের দেওয়া পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে শহরে তোলপাড় শুরু হয়। অনেকেই জানান, সামাজিক মর্যাদা ও আতঙ্কের কারণে এতদিন তারা মুখ খোলেননি।
শনিবার দুপুরে আবারও ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আলীপুর ব্রিজ এলাকায় জনতা তাকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, গ্রেপ্তার তুফানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শহরে ছিনতাই ও মাদক দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন