ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে মরণ মিয়া (৪০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকালে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত মরণ মিয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের বায়জিদ মিয়ার ছেলে। মাদক সেবনের দায়ে ৩ মাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৯ মে থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে কারাগারে নাস্তা করার সময় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন মরণ মিয়া। কারাগারের চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অসুস্থ বোধ করায় মরণ মিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মরদেহ বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে মরণ মিয়া (৪০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকালে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত মরণ মিয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের বায়জিদ মিয়ার ছেলে। মাদক সেবনের দায়ে ৩ মাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৯ মে থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে কারাগারে নাস্তা করার সময় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন মরণ মিয়া। কারাগারের চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অসুস্থ বোধ করায় মরণ মিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মরদেহ বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন