আসন্ন ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত পাহাড়কণ্যা বান্দরবান। ইতিমধ্যে জেলার হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোয় আগাম বুকিং শুরু হয়েছে। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে ধুয়েমুছে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে পর্যটনকেন্দ্র ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। এদিকে এবার ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে জেলার নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক ও চিম্বুক পর্যটনকেন্দ্রে আগামী ২৮ ও ২৯ মে দুই দিন বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সাধারণত প্রতিবছর ঈদুল আজহার ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের ঢল নামে। কর্মব্যস্ত জীবনের কোলাহল ছেড়ে অবকাশ যাপনে পাহাড়প্রেমীরা ছুটে আসেন এই পাহাড়ি জেলায়। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে চাঁদের গাড়িতে চড়ে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে ঘুরে বেড়ান তারা। ফলে মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, নীলগিরি ও নীল দিগন্তসহ সব কটি দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
শহরের ‘হোটেল ভ্যাকেশন ইন’-এর মালিক বিশ্বজিৎ দাশ বলেন, ‘বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও লম্বা ছুটি থাকায় এবার ঈদে বান্দরবানে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটবে। পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। হোটেলের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।’ এবার ঈদে ভালো ব্যবসার আশা করছেন এই ব্যবসায়ী।
এদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কটেজ ও কক্ষভেদে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ছাড়ের কথা জানিয়েছেন বান্দরবান হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘পর্যটকদের সুবিধার্থে আমরা ঈদের ছুটিতে এই ছাড় ঘোষণা করেছি। বান্দরবানের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত এবং বর্ষায় পাহাড়ও নতুন রূপ পেয়েছে। আশা করছি, আশানুরূপ পর্যটক আসবেন।’
ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে বলেন, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকেরা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যরা পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় পোশাক ও সাদা পোশাকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, বান্দরবান জেলায় পর্যটকদের সেবার জন্য শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এ ছাড়া পর্যটক পরিবহনের জন্য নিয়োজিত আছে ৪ শতাধিক চাঁদের গাড়ি।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত পাহাড়কণ্যা বান্দরবান। ইতিমধ্যে জেলার হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোয় আগাম বুকিং শুরু হয়েছে। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে ধুয়েমুছে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে পর্যটনকেন্দ্র ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। এদিকে এবার ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ করতে জেলার নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক ও চিম্বুক পর্যটনকেন্দ্রে আগামী ২৮ ও ২৯ মে দুই দিন বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সাধারণত প্রতিবছর ঈদুল আজহার ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের ঢল নামে। কর্মব্যস্ত জীবনের কোলাহল ছেড়ে অবকাশ যাপনে পাহাড়প্রেমীরা ছুটে আসেন এই পাহাড়ি জেলায়। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে চাঁদের গাড়িতে চড়ে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে ঘুরে বেড়ান তারা। ফলে মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, নীলগিরি ও নীল দিগন্তসহ সব কটি দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
শহরের ‘হোটেল ভ্যাকেশন ইন’-এর মালিক বিশ্বজিৎ দাশ বলেন, ‘বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও লম্বা ছুটি থাকায় এবার ঈদে বান্দরবানে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটবে। পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। হোটেলের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।’ এবার ঈদে ভালো ব্যবসার আশা করছেন এই ব্যবসায়ী।
এদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কটেজ ও কক্ষভেদে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ছাড়ের কথা জানিয়েছেন বান্দরবান হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘পর্যটকদের সুবিধার্থে আমরা ঈদের ছুটিতে এই ছাড় ঘোষণা করেছি। বান্দরবানের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত এবং বর্ষায় পাহাড়ও নতুন রূপ পেয়েছে। আশা করছি, আশানুরূপ পর্যটক আসবেন।’
ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে বলেন, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকেরা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যরা পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় পোশাক ও সাদা পোশাকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, বান্দরবান জেলায় পর্যটকদের সেবার জন্য শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এ ছাড়া পর্যটক পরিবহনের জন্য নিয়োজিত আছে ৪ শতাধিক চাঁদের গাড়ি।

আপনার মতামত লিখুন