ঈদুল আজহার শেষ সময়ে বিকেলে এলিফ্যান্ট রোডের ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং সেন্টারে গিয়েছিলেন নাজিয়া পান্না নামের এক চাকরিজীবী। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে গিয়ে হাতের টাকা শেষ হয়ে যায়। দ্রুত তিনি পাশের একটি এটিএম বুথে যান টাকা তুলতে। কিন্তু গিয়ে পড়েন বিপাকে। কোনোভাবেই টাকা পাচ্ছিলেন। বার বার চেষ্টা করে অন্যসব বুথে ঘুরে শেষ বাসায় ফেরেন।
ঠিক এমনি ঘটনা ঘটেছে আরেক চাকরিজীবী নেহাল আহমেদের বেলাতেও। সন্ধ্যায় বসুন্ধরা সিটিতে কেনাকাটা করতে গিয়ে দরকার পড়ে কিছু টাকার। এটিএম কার্ড নিয়ে ছুটে যান পাশের একটা বুথে। কিন্তু বহুক্ষণ চেষ্টা করেও টাকা পাননি। অথচ তার ব্যাংক হিসাবে তোলার মতো যথেষ্ট টাকা রয়েছে।
পান্না আর নেহালের মতোই ঈদের কেনাকাটা করা টাকা তুলতে এক বুথ থেকে আরেক বুথে ছুটছেন গ্রাহকরা। অনেক এটিএম বুথেই টাকা নেই। আবার কোনো বুথে টাকা থাকলেও অন্য ব্যাংকের কার্ড দিয়ে তোলা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
শেওড়াপাড়ায় এবি ব্যাংকের বুথে টাকা নেই। উত্তরা ব্যাংকের বুথ বন্ধ। সিটি ব্যাংকের বুথে অন্য ব্যাংকের কার্ড কাজ করছে না। নিরাপত্তাকর্মী জানান, টাকা কম আসায় নিজেদের গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ফাস্ট ট্র্যাক বুথগুলোয় সাতটি এটিএম থাকলেও সেগুলোর বেশির ভাগ অকেজো। অন্য ব্যাংকের কার্ডে পাঁচ হাজার টাকার বেশি তোলা যাচ্ছে না। আগারগাঁওয়ে আইডিবি ভবনের পাশের বুথেও টাকা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২১ মে এক নির্দেশনার মাধ্যমে এটিএম বুথ, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, পয়েন্ট অব সেলস (পস), কিউআর কোড ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কোথাও কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত তা সমাধানের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
প্রতিবছর একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও বন্ধের মধ্যে বিড়ম্বনার খবর পাওয়া যায়। এবার ঈদের বন্ধ শুরুর আগে থেকেই অনেক বুথে টাকা না পাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গ্রাহকরা বলছেন, আগের কোনো ঈদে এত ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী টাকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও বুথে টাকা না পেলে দুঃখজনক। ঈদের পর ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বসা হবে।’

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
ঈদুল আজহার শেষ সময়ে বিকেলে এলিফ্যান্ট রোডের ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং সেন্টারে গিয়েছিলেন নাজিয়া পান্না নামের এক চাকরিজীবী। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে গিয়ে হাতের টাকা শেষ হয়ে যায়। দ্রুত তিনি পাশের একটি এটিএম বুথে যান টাকা তুলতে। কিন্তু গিয়ে পড়েন বিপাকে। কোনোভাবেই টাকা পাচ্ছিলেন। বার বার চেষ্টা করে অন্যসব বুথে ঘুরে শেষ বাসায় ফেরেন।
ঠিক এমনি ঘটনা ঘটেছে আরেক চাকরিজীবী নেহাল আহমেদের বেলাতেও। সন্ধ্যায় বসুন্ধরা সিটিতে কেনাকাটা করতে গিয়ে দরকার পড়ে কিছু টাকার। এটিএম কার্ড নিয়ে ছুটে যান পাশের একটা বুথে। কিন্তু বহুক্ষণ চেষ্টা করেও টাকা পাননি। অথচ তার ব্যাংক হিসাবে তোলার মতো যথেষ্ট টাকা রয়েছে।
পান্না আর নেহালের মতোই ঈদের কেনাকাটা করা টাকা তুলতে এক বুথ থেকে আরেক বুথে ছুটছেন গ্রাহকরা। অনেক এটিএম বুথেই টাকা নেই। আবার কোনো বুথে টাকা থাকলেও অন্য ব্যাংকের কার্ড দিয়ে তোলা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
শেওড়াপাড়ায় এবি ব্যাংকের বুথে টাকা নেই। উত্তরা ব্যাংকের বুথ বন্ধ। সিটি ব্যাংকের বুথে অন্য ব্যাংকের কার্ড কাজ করছে না। নিরাপত্তাকর্মী জানান, টাকা কম আসায় নিজেদের গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ফাস্ট ট্র্যাক বুথগুলোয় সাতটি এটিএম থাকলেও সেগুলোর বেশির ভাগ অকেজো। অন্য ব্যাংকের কার্ডে পাঁচ হাজার টাকার বেশি তোলা যাচ্ছে না। আগারগাঁওয়ে আইডিবি ভবনের পাশের বুথেও টাকা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২১ মে এক নির্দেশনার মাধ্যমে এটিএম বুথ, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, পয়েন্ট অব সেলস (পস), কিউআর কোড ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কোথাও কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত তা সমাধানের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
প্রতিবছর একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও বন্ধের মধ্যে বিড়ম্বনার খবর পাওয়া যায়। এবার ঈদের বন্ধ শুরুর আগে থেকেই অনেক বুথে টাকা না পাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গ্রাহকরা বলছেন, আগের কোনো ঈদে এত ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী টাকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও বুথে টাকা না পেলে দুঃখজনক। ঈদের পর ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বসা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন