আগামীকাল ৩১ মে সারা দেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি”।
তামাক ও নিকোটিন কোম্পানিগুলো তাদের ক্ষতিকর পণ্যকে নতুন রূপ ও আকর্ষণীয় মোড়কে আগ্রাসী প্রচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর এবং তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)।
বাংলাদেশ সম্প্রতি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাশের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছুটা এগিয়ে গেছে। তবে এই নতুন সংশোধিত আইন থেকে ই-সিগারেট, ভেপিং ও নিকোটিন পাউচের মতো নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ পড়ায় তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তামাক কোম্পানিগুলো মূলত তরুণদের টার্গেট করে এই নতুন পণ্যগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে “নিরাপদ” বা “কম ক্ষতিকর” হিসেবে প্রচার করছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩.৭৮ কোটি মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালের এক হিসাবে দেখা গেছে, তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে পাওয়া রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ সব নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
ভবিষ্যতে একটি তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে সদ্য পাস হওয়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে প্রজ্ঞা। একই সঙ্গে তামাক কোম্পানির অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ এবং আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে সবধরনের তামাকপণ্যের ওপর কর ও দাম বাড়িয়ে তা তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
আগামীকাল ৩১ মে সারা দেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি”।
তামাক ও নিকোটিন কোম্পানিগুলো তাদের ক্ষতিকর পণ্যকে নতুন রূপ ও আকর্ষণীয় মোড়কে আগ্রাসী প্রচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর এবং তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে তামাক ও নিকোটিন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)।
বাংলাদেশ সম্প্রতি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাশের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছুটা এগিয়ে গেছে। তবে এই নতুন সংশোধিত আইন থেকে ই-সিগারেট, ভেপিং ও নিকোটিন পাউচের মতো নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ পড়ায় তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তামাক কোম্পানিগুলো মূলত তরুণদের টার্গেট করে এই নতুন পণ্যগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে “নিরাপদ” বা “কম ক্ষতিকর” হিসেবে প্রচার করছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩.৭৮ কোটি মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালের এক হিসাবে দেখা গেছে, তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে পাওয়া রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ সব নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
ভবিষ্যতে একটি তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে সদ্য পাস হওয়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করে প্রজ্ঞা। একই সঙ্গে তামাক কোম্পানির অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ এবং আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে সবধরনের তামাকপণ্যের ওপর কর ও দাম বাড়িয়ে তা তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আপনার মতামত লিখুন