পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পাহাড়কন্যা বান্দরবান। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিনেও মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, স্বর্ণমন্দির, চিম্বুক, নীলগিরি ও শৈলপ্রপাতসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে দিনভর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
ঈদের আনন্দকে আরও রঙিন করতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে পর্যটকেরা ছুটে এসেছেন সবুজে ঘেরা পাহাড়ি এই জনপদে। চাঁদের গাড়িতে চড়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক পেরিয়ে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। মেঘ-পাহাড়ের অপূর্ব মিতালি, মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং শীতল আবহাওয়া মুগ্ধ করছে ঘুরতে আসা মানুষদের।
পর্যটকদের এই আগমনে জেলার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। তবে এবারের ঈদের ছুটিতে আশানুরূপ পর্যটকের সমাগম ঘটেনি বলে জানিয়েছেন বান্দরবান হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এবার আমরা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং পেয়েছি। অথচ অন্যান্য বছর ঈদের ছুটিতে শতভাগ বুকিং থাকে।’
ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা জানান, ব্যস্ত নগরজীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য তারা বান্দরবানকে বেছে নিয়েছেন। পাহাড়ের সৌন্দর্য, নির্মল পরিবেশ এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতায় তারা মুগ্ধ।
বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করছে। মাঠে দুটি ভ্রাম্যমাণ টিম থাকার পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পাহাড়কন্যা বান্দরবান। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিনেও মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, স্বর্ণমন্দির, চিম্বুক, নীলগিরি ও শৈলপ্রপাতসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে দিনভর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
ঈদের আনন্দকে আরও রঙিন করতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে পর্যটকেরা ছুটে এসেছেন সবুজে ঘেরা পাহাড়ি এই জনপদে। চাঁদের গাড়িতে চড়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক পেরিয়ে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। মেঘ-পাহাড়ের অপূর্ব মিতালি, মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং শীতল আবহাওয়া মুগ্ধ করছে ঘুরতে আসা মানুষদের।
পর্যটকদের এই আগমনে জেলার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। তবে এবারের ঈদের ছুটিতে আশানুরূপ পর্যটকের সমাগম ঘটেনি বলে জানিয়েছেন বান্দরবান হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এবার আমরা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং পেয়েছি। অথচ অন্যান্য বছর ঈদের ছুটিতে শতভাগ বুকিং থাকে।’
ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা জানান, ব্যস্ত নগরজীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য তারা বান্দরবানকে বেছে নিয়েছেন। পাহাড়ের সৌন্দর্য, নির্মল পরিবেশ এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতায় তারা মুগ্ধ।
বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করছে। মাঠে দুটি ভ্রাম্যমাণ টিম থাকার পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন