সংবাদ

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির

পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। কোরবানি শুরুর পর থেকে গত তিন দিনে কর্পোরেশন সর্বমোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করেছে। তবে সময়মতো পশুর হাটের বর্জ্য পরিষ্কার না করার দায়ে সংশ্লিষ্ট ১১টি অস্থায়ী হাটের ইজারাদারদের জামানত বাজেয়াপ্ত ও তাদের কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

​আজ রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এই তথ্য জানান।

​সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের ঈদে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার টন। তবে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন দিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মোট ৩৬ হাজার টনেরও বেশি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

​এই বিশাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাড়ে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

​পশুর হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার কারণে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাটের বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হওয়ায় ১১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের জামানত সম্পূর্ণ বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সাথে নিয়ম অমান্যকারী এসব ইজারাদারকে স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোরতা আনতে এবং ইজারাদারদের দায়িত্বশীলতা বাড়াতে আগামী বছর থেকে পশুর হাটের জামানতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে।

​ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নগরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিরতিহীনভাবে কাজ করেছেন। পশুর হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার ক্ষেত্রে এবার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। কোরবানি শুরুর পর থেকে গত তিন দিনে কর্পোরেশন সর্বমোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করেছে। তবে সময়মতো পশুর হাটের বর্জ্য পরিষ্কার না করার দায়ে সংশ্লিষ্ট ১১টি অস্থায়ী হাটের ইজারাদারদের জামানত বাজেয়াপ্ত ও তাদের কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

​আজ রোববার (৩১ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এই তথ্য জানান।

​সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের ঈদে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার টন। তবে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন দিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে মোট ৩৬ হাজার টনেরও বেশি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

​এই বিশাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাড়ে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

​পশুর হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার কারণে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাটের বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হওয়ায় ১১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের জামানত সম্পূর্ণ বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সাথে নিয়ম অমান্যকারী এসব ইজারাদারকে স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোরতা আনতে এবং ইজারাদারদের দায়িত্বশীলতা বাড়াতে আগামী বছর থেকে পশুর হাটের জামানতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে।

​ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নগরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিরতিহীনভাবে কাজ করেছেন। পশুর হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলার ক্ষেত্রে এবার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত