সংবাদ

ঈদের মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১১:৪৪ এএম

ঈদের মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এই জামাত শুরু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মাদ মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। নামাজ শেষে তিনি খুতবা পাঠ করেন। খুতবা শেষে সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জুলুম-নির্যাতনের শিকার মুসলিমদের হেফাজত ও মুক্তির জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়।

মোনাজাতে পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা- ত্যাগ, সংযম ও মানবিকতা- ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ধারণ করার তাওফিক কামনা করা হয়। ইমাম মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেছেন, কোরবানি কেবল পশু জবাই নয়, এটি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আত্মোৎসর্গের নাম। সবার উচিত এই শিক্ষা নিজ জীবনে প্রতিফলিত করা।

ঈদের জামাত ঘিরে সকাল থেকেই জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। কেউ এসেছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউ বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে। নির্ধারিত ফটক দিয়ে নিরাপত্তাতল্লাশি শেষে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করানো হয়।

জাতীয় ঈদগাহের মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সাধারণ মুসল্লি ও নারীদের জন্য ছিল আলাদা প্রবেশপথ ও বসার ব্যবস্থা। অজু, সুপেয় পানি, শৌচাগার ও চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন।

নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উপস্থিত মুসল্লিরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সবাই যেন কোরবানির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে পারি, সেটাই কাম্য।’

ঢাকা শহরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাত শেষে মুসল্লিরা কোরবানি ও পারিবারিক আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


ঈদের মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় এই জামাত শুরু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মাদ মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। নামাজ শেষে তিনি খুতবা পাঠ করেন। খুতবা শেষে সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জুলুম-নির্যাতনের শিকার মুসলিমদের হেফাজত ও মুক্তির জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়।

মোনাজাতে পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা- ত্যাগ, সংযম ও মানবিকতা- ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ধারণ করার তাওফিক কামনা করা হয়। ইমাম মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেছেন, কোরবানি কেবল পশু জবাই নয়, এটি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আত্মোৎসর্গের নাম। সবার উচিত এই শিক্ষা নিজ জীবনে প্রতিফলিত করা।

ঈদের জামাত ঘিরে সকাল থেকেই জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। কেউ এসেছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউ বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে। নির্ধারিত ফটক দিয়ে নিরাপত্তাতল্লাশি শেষে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করানো হয়।

জাতীয় ঈদগাহের মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সাধারণ মুসল্লি ও নারীদের জন্য ছিল আলাদা প্রবেশপথ ও বসার ব্যবস্থা। অজু, সুপেয় পানি, শৌচাগার ও চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন।

নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও উপস্থিত মুসল্লিরা একে অন্যের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সবাই যেন কোরবানির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে পারি, সেটাই কাম্য।’

ঢাকা শহরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাত শেষে মুসল্লিরা কোরবানি ও পারিবারিক আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত