সংবাদ

সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ, দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম

সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ, দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা
মৎস্য সম্পদের প্রজনন রক্ষায় ১ জুন থেকে তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। (ফাইল ছবি)

সুন্দরবনের বন্য প্রাণী ও মৎস্য সম্পদের প্রজনন রক্ষায় আগামীকাল ১ জুন থেকে তিন মাসের জন্য বনে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৯২ দিন সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরাও বন্ধ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা সামনে রেখে ইতিমধ্যে গহিন সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে ফিরে এসেছেন উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালরা। তবে দীর্ঘ তিন মাস আয় বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কীভাবে দিন কাটবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। বনজীবীদের দাবি, সরকারিভাবে যে সহায়তা দেওয়া হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে জলভাগ ১ হাজার ৮৭৪ বর্গকিলোমিটার। এই জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বেশির ভাগ মাছ ডিম ছাড়ে। তাই এই সময়ে পর্যটক ও জেলেদের বনে প্রবেশের সব ধরনের অনুমতি বন্ধ রাখা হয়।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, মৎস্য ও বন্য প্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বনজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও সরকারি সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করছে বন বিভাগ ও মৎস্য বিভাগ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন আবার সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


সুন্দরবনে তিন মাস প্রবেশ নিষিদ্ধ, দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনের বন্য প্রাণী ও মৎস্য সম্পদের প্রজনন রক্ষায় আগামীকাল ১ জুন থেকে তিন মাসের জন্য বনে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৯২ দিন সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরাও বন্ধ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা সামনে রেখে ইতিমধ্যে গহিন সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে ফিরে এসেছেন উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালরা। তবে দীর্ঘ তিন মাস আয় বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কীভাবে দিন কাটবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। বনজীবীদের দাবি, সরকারিভাবে যে সহায়তা দেওয়া হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে জলভাগ ১ হাজার ৮৭৪ বর্গকিলোমিটার। এই জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বেশির ভাগ মাছ ডিম ছাড়ে। তাই এই সময়ে পর্যটক ও জেলেদের বনে প্রবেশের সব ধরনের অনুমতি বন্ধ রাখা হয়।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, মৎস্য ও বন্য প্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। বনজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও সরকারি সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করছে বন বিভাগ ও মৎস্য বিভাগ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন আবার সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত