বাগেরহাটের হযরত খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে নিখোঁজ শিশু ফাতেমার (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে দিঘির পূর্ব পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এর আগে গতকাল সোমবার (১ জুন) রাতে মাজারের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নামলে একটি কুমির শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায়।
নিহত ফাতেমা মাজার এলাকায় বসবাসকারী এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান। তাদের স্থায়ী ঠিকানা বা বাবার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
মাজারের খাদেম ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ফাতেমাকে নিয়ে তার মা মাজারের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নামেন। এ সময় হঠাৎ একটি কুমির শিশুটিকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। মেয়ের চিৎকার শুনে মা ও স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
ঘটনার পর বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতভর অভিযানের পর মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৫ টার দিকে দিঘির পূর্ব পাশে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, “রাতে কুমির অধ্যুষিত দিঘিতে উদ্ধার অভিযান চালানো ছিল বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেছি।”
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, মাজার ও দিঘি এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের হযরত খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে নিখোঁজ শিশু ফাতেমার (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে দিঘির পূর্ব পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এর আগে গতকাল সোমবার (১ জুন) রাতে মাজারের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নামলে একটি কুমির শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায়।
নিহত ফাতেমা মাজার এলাকায় বসবাসকারী এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান। তাদের স্থায়ী ঠিকানা বা বাবার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
মাজারের খাদেম ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ফাতেমাকে নিয়ে তার মা মাজারের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নামেন। এ সময় হঠাৎ একটি কুমির শিশুটিকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। মেয়ের চিৎকার শুনে মা ও স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
ঘটনার পর বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতভর অভিযানের পর মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৫ টার দিকে দিঘির পূর্ব পাশে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, “রাতে কুমির অধ্যুষিত দিঘিতে উদ্ধার অভিযান চালানো ছিল বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেছি।”
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, মাজার ও দিঘি এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন