বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের শিল্পী তানজিনা রুমা পেশাদার সংগীত জীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন। সঙ্গীতজীবনের এই রজতজয়ন্তী সময়ে এসে নতুন উদ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। লক্ষ্মীপুরের মেয়ে তানজিনা রুমার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০১ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘বন্ধু তুমি কোথায়’ দিয়ে। প্রথম অ্যালবামেই শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি।
এরপর ‘মেঘের দেশে’,
‘নীল জোছনা’, ‘লুকোচুরি’ এবং ‘সুরের ছোঁয়া’ সহ একাধিক একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন। গত
ঈদে তার কণ্ঠে প্রকাশিত ‘জেটল্যাগ ভালোবাসা-টু’ ও ‘যৌবন’ গান দুটি শ্রোতাদের নজর কাড়ে।
এবার কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রকাশ পায় তার নতুন মৌলিক গান ‘তারপর’।
গানটির কথা লিখেছেন
ইতি রহমান এবং সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রমিথিউস ব্যান্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী খালিদ
আতাউল করিম বিপ্লব। গানটি প্রকাশিত হয় বিপ্লবের ইউটিউব চ্যানেলে। নতুন গান প্রসঙ্গে
তানজিনা রুমা বলেন, “গানটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। সবসময়ই ভালো কিছু করার চেষ্টা করি।
আশা করছি শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।”
শুধু আধুনিক গানেই
নয়, চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকেও সফল তানজিনা রুমা। তার কণ্ঠে জনপ্রিয় হওয়া চলচ্চিত্রের
গানের মধ্যে রয়েছে ‘দেখনা ও রসিয়া’, ‘তুমি বলো আমি বলি কবুল কবুল’ এবং ‘চল তুলি সেলফি’।
ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় সাত শতাধিক চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।
সংগীতে নিজেকে সমৃদ্ধ
করতে তিনি ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, সুধীন দাশ, নীলুফার ইয়াসমিন, শিপ্রা বসু ও অনিল কুমার
সাহার কাছে তালিম নিয়েছেন। দেশের গ-ি পেরিয়ে সুইডেন, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে প্রথম
আন্তর্জাতিক মঞ্চে গান পরিবেশন করেন। পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের
সামনে সংগীত পরিবেশন করে প্রশংসা অর্জন করেন।
দীর্ঘ ২৫ বছরের
পথচলা নিয়ে তানজিনা রুমা বলেন, “পেশাগতভাবে আমার সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ হলেও আমার
মনে হয়, এখনো আমি প্রকৃত শিল্পী হয়ে উঠতে পারিনি। শেখার কোনো শেষ নেই। প্রতিনিয়ত নতুন
কিছু শেখার এবং ভালো গান করার চেষ্টা করছি। আমি কৃতজ্ঞ আমার সব ওস্তাদ, শুভাকাঙ্ক্ষী
ও শ্রোতাদের প্রতি। তাদের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণাই আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।”
সংগীতকেই জীবনের
সবচেয়ে বড় ভালোবাসা উল্লেখ করে এই শিল্পী বলেন, “গানে গানে জীবনটা সুন্দরভাবে পার করে
দিতে চাই।”

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের শিল্পী তানজিনা রুমা পেশাদার সংগীত জীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন। সঙ্গীতজীবনের এই রজতজয়ন্তী সময়ে এসে নতুন উদ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। লক্ষ্মীপুরের মেয়ে তানজিনা রুমার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০১ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘বন্ধু তুমি কোথায়’ দিয়ে। প্রথম অ্যালবামেই শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি।
এরপর ‘মেঘের দেশে’,
‘নীল জোছনা’, ‘লুকোচুরি’ এবং ‘সুরের ছোঁয়া’ সহ একাধিক একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন। গত
ঈদে তার কণ্ঠে প্রকাশিত ‘জেটল্যাগ ভালোবাসা-টু’ ও ‘যৌবন’ গান দুটি শ্রোতাদের নজর কাড়ে।
এবার কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রকাশ পায় তার নতুন মৌলিক গান ‘তারপর’।
গানটির কথা লিখেছেন
ইতি রহমান এবং সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রমিথিউস ব্যান্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী খালিদ
আতাউল করিম বিপ্লব। গানটি প্রকাশিত হয় বিপ্লবের ইউটিউব চ্যানেলে। নতুন গান প্রসঙ্গে
তানজিনা রুমা বলেন, “গানটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। সবসময়ই ভালো কিছু করার চেষ্টা করি।
আশা করছি শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।”
শুধু আধুনিক গানেই
নয়, চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকেও সফল তানজিনা রুমা। তার কণ্ঠে জনপ্রিয় হওয়া চলচ্চিত্রের
গানের মধ্যে রয়েছে ‘দেখনা ও রসিয়া’, ‘তুমি বলো আমি বলি কবুল কবুল’ এবং ‘চল তুলি সেলফি’।
ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় সাত শতাধিক চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।
সংগীতে নিজেকে সমৃদ্ধ
করতে তিনি ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, সুধীন দাশ, নীলুফার ইয়াসমিন, শিপ্রা বসু ও অনিল কুমার
সাহার কাছে তালিম নিয়েছেন। দেশের গ-ি পেরিয়ে সুইডেন, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে প্রথম
আন্তর্জাতিক মঞ্চে গান পরিবেশন করেন। পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের
সামনে সংগীত পরিবেশন করে প্রশংসা অর্জন করেন।
দীর্ঘ ২৫ বছরের
পথচলা নিয়ে তানজিনা রুমা বলেন, “পেশাগতভাবে আমার সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ হলেও আমার
মনে হয়, এখনো আমি প্রকৃত শিল্পী হয়ে উঠতে পারিনি। শেখার কোনো শেষ নেই। প্রতিনিয়ত নতুন
কিছু শেখার এবং ভালো গান করার চেষ্টা করছি। আমি কৃতজ্ঞ আমার সব ওস্তাদ, শুভাকাঙ্ক্ষী
ও শ্রোতাদের প্রতি। তাদের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণাই আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।”
সংগীতকেই জীবনের
সবচেয়ে বড় ভালোবাসা উল্লেখ করে এই শিল্পী বলেন, “গানে গানে জীবনটা সুন্দরভাবে পার করে
দিতে চাই।”

আপনার মতামত লিখুন