মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঝর্না আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের তেতৈতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঝর্না আক্তার তেতৈতলা গ্রামের সুজন দেওয়ানের স্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার চান্দেরকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২ বছর আগে সুজন দেওয়ানের সঙ্গে ঝর্নার বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের কারণে তারা পাশের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পারিবারিক এই কলহ মেটাতে একাধিকবার সামাজিক সালিশও হয়েছে।
ঝর্নার মেজো জা জানান, সন্ধ্যায় তারা খবর পান ঝর্না তার ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে রেখেছেন। পরে তার বোন এসে গ্রাইন্ডিং মেশিন দিয়ে লোহার দরজা কেটে ভেতরে ঢুকে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর দ্রুত হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আফরাহাম হোসেন (ফাহিম) জানান, ঝর্নাকে রাত ১০টার দিকে হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুজন দেওয়ান পলাতক রয়েছেন।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঝর্না আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের তেতৈতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঝর্না আক্তার তেতৈতলা গ্রামের সুজন দেওয়ানের স্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার চান্দেরকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২ বছর আগে সুজন দেওয়ানের সঙ্গে ঝর্নার বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের কারণে তারা পাশের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পারিবারিক এই কলহ মেটাতে একাধিকবার সামাজিক সালিশও হয়েছে।
ঝর্নার মেজো জা জানান, সন্ধ্যায় তারা খবর পান ঝর্না তার ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে রেখেছেন। পরে তার বোন এসে গ্রাইন্ডিং মেশিন দিয়ে লোহার দরজা কেটে ভেতরে ঢুকে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর দ্রুত হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আফরাহাম হোসেন (ফাহিম) জানান, ঝর্নাকে রাত ১০টার দিকে হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুজন দেওয়ান পলাতক রয়েছেন।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন