সংবাদ

রসালো কাঁঠালের ঘ্রাণে ম ম করছে পলাশ


প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রকাশ: ৪ জুন ২০২৬, ০৯:২১ পিএম

রসালো কাঁঠালের ঘ্রাণে ম ম করছে পলাশ
নরসিংদীর পলাশে গাছে ঝুলে থাকা দৃষ্টিনন্দন কাঁঠাল। ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে গ্রীষ্মের জনপ্রিয় ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ জাতীয় ফল কাঁঠাল। পুরোপুরি পাকার সময় এখনো কিছুটা বাকি থাকলেও এরই মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের কাঁঠাল দেখা যাচ্ছে।

উপজেলার প্রতিটি বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার পাশে কিংবা ঝোপঝাড়ের ভেতর থাকা গাছগুলোতে এখন কাঁঠালের সমারোহ। গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ঝুলে থাকা কাঁঠাল পথচারীদের নজর কাড়ছে। জেলার ‘ফলের ভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত পলাশের জিনারদী ইউনিয়নে কাঁঠালের ফলন সবচেয়ে বেশি হয়। এখান থেকেই কাঁঠাল সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

স্থানীয়দের কাছে কাঁঠাল কেবল ফল নয়, তরকারি হিসেবেও এর ব্যাপক কদর রয়েছে। বিশেষ করে কাঁঠালের বিচি দিয়ে শুঁটকি ভর্তা ও বিভিন্ন শাকের রান্না এখানকার মানুষের ঐতিহ্যের অংশ। এ ছাড়া গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও কাঁঠালের চামড়া ব্যবহৃত হয়। রাবান এলাকার প্রকৌশলী প্রান্ত মিত্র ও কুড়াইতলীর বাসিন্দা অপু সেন জানান, এবার অনেক গাছেই গত বছরের তুলনায় ভালো ফলন হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় ফলন সামান্য কম হওয়ার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

পলাশের হাট-বাজারে এখনো পুরোদমে কাঁঠাল কেনাবেচা শুরু হয়নি। জ্যৈষ্ঠের শেষ ও আষাঢ়ের শুরু থেকে বাজারগুলো কাঁঠালের গন্ধে ম ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আয়েশা আক্তার বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠালের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। পুষ্টিগুণ ও চাহিদার কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে কাঁঠালের চারা রোপণের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬


রসালো কাঁঠালের ঘ্রাণে ম ম করছে পলাশ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে গ্রীষ্মের জনপ্রিয় ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ জাতীয় ফল কাঁঠাল। পুরোপুরি পাকার সময় এখনো কিছুটা বাকি থাকলেও এরই মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের কাঁঠাল দেখা যাচ্ছে।

উপজেলার প্রতিটি বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার পাশে কিংবা ঝোপঝাড়ের ভেতর থাকা গাছগুলোতে এখন কাঁঠালের সমারোহ। গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ঝুলে থাকা কাঁঠাল পথচারীদের নজর কাড়ছে। জেলার ‘ফলের ভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত পলাশের জিনারদী ইউনিয়নে কাঁঠালের ফলন সবচেয়ে বেশি হয়। এখান থেকেই কাঁঠাল সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

স্থানীয়দের কাছে কাঁঠাল কেবল ফল নয়, তরকারি হিসেবেও এর ব্যাপক কদর রয়েছে। বিশেষ করে কাঁঠালের বিচি দিয়ে শুঁটকি ভর্তা ও বিভিন্ন শাকের রান্না এখানকার মানুষের ঐতিহ্যের অংশ। এ ছাড়া গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও কাঁঠালের চামড়া ব্যবহৃত হয়। রাবান এলাকার প্রকৌশলী প্রান্ত মিত্র ও কুড়াইতলীর বাসিন্দা অপু সেন জানান, এবার অনেক গাছেই গত বছরের তুলনায় ভালো ফলন হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় ফলন সামান্য কম হওয়ার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

পলাশের হাট-বাজারে এখনো পুরোদমে কাঁঠাল কেনাবেচা শুরু হয়নি। জ্যৈষ্ঠের শেষ ও আষাঢ়ের শুরু থেকে বাজারগুলো কাঁঠালের গন্ধে ম ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আয়েশা আক্তার বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠালের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। পুষ্টিগুণ ও চাহিদার কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে কাঁঠালের চারা রোপণের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত