সংবাদ

দিল্লিতে ‘তেলাপোকা’র বিক্ষোভ ঘিরে হাই-অ্যালার্ট


দীপক মুখার্জী
দীপক মুখার্জী প্রতিনিধি, কলকাতা
প্রকাশ: ৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

দিল্লিতে ‘তেলাপোকা’র বিক্ষোভ ঘিরে হাই-অ্যালার্ট
দিল্লিতে কড়া পুলিশি ঘেরাটোপে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ অব্যাহত

দিল্লির বুকে কড়া পুলিশি নজরদারির মধ্যেই তীব্র হচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলন। রাজধানীর যন্তর-মন্তর এখন কার্যত হাই-সিকিউরিটি জোন- চারদিকে ব্যারিকেড, মোতায়েন বিপুল পুলিশ বাহিনী, আর প্রতিটি প্রবেশপথে কড়া নজরদারি। অনুমতি মিললেও শুরু থেকেই প্রশাসন কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

এই আবহেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে। বিদেশ থেকে ফিরে সরাসরি ময়দানে নেমে তিনি সমর্থকদের একত্রিত করেছেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে ক্রমশ বাড়ছে ভিড়, আর সেই সঙ্গে তীব্র হচ্ছে স্লোগান- মূল লক্ষ্য একটাই, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান-এর পদত্যাগ।

প্রতিবাদে এবার স্পষ্টভাবে উঠে আসছে যুব সমাজের ক্ষোভ। অনেকেই হাতে বই ও তেরঙা নিয়ে হাজির হয়েছেন- একদিকে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক, অন্যদিকে দেশপ্রেমের বার্তা। আবার অনেকের মুখে ককরোচের মুখোশ- যা এখন প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্তরে নজরদারি চালাচ্ছে। ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে সতর্কবার্তা, চলাচলে নিয়ন্ত্রণ- সব মিলিয়ে গোটা এলাকা কার্যত নিয়ন্ত্রিত পরিসরে পরিণত হয়েছে।

তবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও আন্দোলনের গতি থামেনি। বরং সংগঠিতভাবে আরও বেশি মানুষ যোগ দিচ্ছেন। এই প্রতিবাদ এখন আর শুধু প্রতীকী নয়- এটি ধীরে ধীরে বৃহত্তর অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশে পরিণত হচ্ছে, যেখানে বেকারত্ব, পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক এবং ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতা- সবই একসঙ্গে মিশে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, দিল্লির এই বিক্ষোভ এখন শুধু একটি দাবি নয়- এটি এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। পুলিশি ঘেরাটোপ যতই শক্ত হোক, যুব সমাজের ক্ষোভ যে থামছে না, বরং আরও জোরে সামনে আসছে- সেই ছবিই স্পষ্ট হয়ে উঠছে রাজধানীর এই আন্দোলনে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


দিল্লিতে ‘তেলাপোকা’র বিক্ষোভ ঘিরে হাই-অ্যালার্ট

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

দিল্লির বুকে কড়া পুলিশি নজরদারির মধ্যেই তীব্র হচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলন। রাজধানীর যন্তর-মন্তর এখন কার্যত হাই-সিকিউরিটি জোন- চারদিকে ব্যারিকেড, মোতায়েন বিপুল পুলিশ বাহিনী, আর প্রতিটি প্রবেশপথে কড়া নজরদারি। অনুমতি মিললেও শুরু থেকেই প্রশাসন কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

এই আবহেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে। বিদেশ থেকে ফিরে সরাসরি ময়দানে নেমে তিনি সমর্থকদের একত্রিত করেছেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে ক্রমশ বাড়ছে ভিড়, আর সেই সঙ্গে তীব্র হচ্ছে স্লোগান- মূল লক্ষ্য একটাই, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান-এর পদত্যাগ।

প্রতিবাদে এবার স্পষ্টভাবে উঠে আসছে যুব সমাজের ক্ষোভ। অনেকেই হাতে বই ও তেরঙা নিয়ে হাজির হয়েছেন- একদিকে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক, অন্যদিকে দেশপ্রেমের বার্তা। আবার অনেকের মুখে ককরোচের মুখোশ- যা এখন প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্তরে নজরদারি চালাচ্ছে। ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে সতর্কবার্তা, চলাচলে নিয়ন্ত্রণ- সব মিলিয়ে গোটা এলাকা কার্যত নিয়ন্ত্রিত পরিসরে পরিণত হয়েছে।

তবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও আন্দোলনের গতি থামেনি। বরং সংগঠিতভাবে আরও বেশি মানুষ যোগ দিচ্ছেন। এই প্রতিবাদ এখন আর শুধু প্রতীকী নয়- এটি ধীরে ধীরে বৃহত্তর অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশে পরিণত হচ্ছে, যেখানে বেকারত্ব, পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক এবং ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতা- সবই একসঙ্গে মিশে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, দিল্লির এই বিক্ষোভ এখন শুধু একটি দাবি নয়- এটি এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। পুলিশি ঘেরাটোপ যতই শক্ত হোক, যুব সমাজের ক্ষোভ যে থামছে না, বরং আরও জোরে সামনে আসছে- সেই ছবিই স্পষ্ট হয়ে উঠছে রাজধানীর এই আন্দোলনে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত