ত্রিপুরার লঙ্কামুরা সীমান্ত চৌকিতে শুক্রবার (৫ জুন) বিএসএফ জওয়ানদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও বিহার-সহ কোনও সীমান্তবর্তী রাজ্যেই জনবিন্যাস পরিবর্তন বরদাস্ত করা হবে না।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরা সফরে গিয়ে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও জনবিন্যাস ইস্যুতে কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্র কোনওভাবেই সরে আসবে না। বর্তমানে এই রাজ্যগুলিতে ডবল ইঞ্জিনের সরকার থাকায় কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।
শাহের বক্তব্যে উঠে আসে কেন্দ্রের মূল উদ্বেগ- ভিন দেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশের ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
এই প্রেক্ষিতে তিনি জানান, সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আনা হচ্ছে এবং অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একইসঙ্গে তিনি “স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্ট” প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন, যা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ড্রোন, সেন্সর ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে শাহ বলেন, এই অঞ্চলে কোনওভাবেই জনবিন্যাস পরিবর্তন হতে দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিএসএফ ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। তার কথায়, গাছকে নিজের ভাই-বোন বা সন্তানের মতো যত্ন নিতে হবে এবং যত গাছ কাটা হয়েছে তার চেয়ে বেশি গাছ লাগাতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারি নির্দেশে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এটিকে ব্যক্তিগত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।
সব মিলিয়ে, ত্রিপুরা সফর থেকে অমিত শাহ-এর এই বক্তব্যে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ রোধ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় কেন্দ্রের কড়া অবস্থানই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
ত্রিপুরার লঙ্কামুরা সীমান্ত চৌকিতে শুক্রবার (৫ জুন) বিএসএফ জওয়ানদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও বিহার-সহ কোনও সীমান্তবর্তী রাজ্যেই জনবিন্যাস পরিবর্তন বরদাস্ত করা হবে না।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরা সফরে গিয়ে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও জনবিন্যাস ইস্যুতে কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্র কোনওভাবেই সরে আসবে না। বর্তমানে এই রাজ্যগুলিতে ডবল ইঞ্জিনের সরকার থাকায় কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।
শাহের বক্তব্যে উঠে আসে কেন্দ্রের মূল উদ্বেগ- ভিন দেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশের ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
এই প্রেক্ষিতে তিনি জানান, সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আনা হচ্ছে এবং অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একইসঙ্গে তিনি “স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্ট” প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন, যা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ড্রোন, সেন্সর ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে শাহ বলেন, এই অঞ্চলে কোনওভাবেই জনবিন্যাস পরিবর্তন হতে দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিএসএফ ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। তার কথায়, গাছকে নিজের ভাই-বোন বা সন্তানের মতো যত্ন নিতে হবে এবং যত গাছ কাটা হয়েছে তার চেয়ে বেশি গাছ লাগাতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারি নির্দেশে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এটিকে ব্যক্তিগত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।
সব মিলিয়ে, ত্রিপুরা সফর থেকে অমিত শাহ-এর এই বক্তব্যে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ রোধ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় কেন্দ্রের কড়া অবস্থানই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন