ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর রেলস্টেশনের কাছে তেলবাহী ট্রেনের ৩টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার সাড়ে ৯ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রোববার (৭ জুন) বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে ওই রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৬টার দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনের পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে পেছনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ফলে কপোতাক্ষ, রকেট ও সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ সাতটি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়ে। দীর্ঘ সময় ট্রেন বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে রওনা হন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে ঈশ্বরদী ও খুলনা থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার উদ্ধার তৎপরতা শেষে বিকেলে লাইন সচল হয়।
সাফদারপুর রেলস্টেশনের মাস্টার গোলাম রসুল জানান, ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের সময় পয়েন্ট এলাকায় বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। এতে রেললাইন ও স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়নি।
এদিকে গত ২২ মে একই স্টেশনের একই স্থানে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়েছিল। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই স্থানে বারবার দুর্ঘটনার ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার পরপরই আমরা উদ্ধারকাজ শুরু করি। ঈশ্বরদী থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।”

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর রেলস্টেশনের কাছে তেলবাহী ট্রেনের ৩টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার সাড়ে ৯ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। রোববার (৭ জুন) বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে ওই রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৬টার দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনের পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে পেছনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ফলে কপোতাক্ষ, রকেট ও সীমান্ত এক্সপ্রেসসহ সাতটি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়ে। দীর্ঘ সময় ট্রেন বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে রওনা হন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে ঈশ্বরদী ও খুলনা থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার উদ্ধার তৎপরতা শেষে বিকেলে লাইন সচল হয়।
সাফদারপুর রেলস্টেশনের মাস্টার গোলাম রসুল জানান, ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের সময় পয়েন্ট এলাকায় বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। এতে রেললাইন ও স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়নি।
এদিকে গত ২২ মে একই স্টেশনের একই স্থানে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়েছিল। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই স্থানে বারবার দুর্ঘটনার ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার পরপরই আমরা উদ্ধারকাজ শুরু করি। ঈশ্বরদী থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।”

আপনার মতামত লিখুন