কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পক্ষ থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের (পুশইন) চেষ্টা পণ্ড করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় এলাকাবাসী। শনিবার (৬ জুন) ও রোববার (৭ জুন) রাতে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের বকবান্ধা ও সুদুরটিলা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বকবান্ধা সীমান্তের ১০৬৯ নম্বর মেইন পিলারের কাছে ভারতীয় নাগরিকদের ট্রাকে করে এনে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে একই ইউনিয়নের সুদুরটিলা ক্যাম্প এলাকায় দুটি ট্রাকে করে বেশ কিছু মানুষকে কাঁটাতারের কাছে নিয়ে আসে তারা। দুই রাতেই বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে সীমান্তে শক্ত অবস্থান নেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারাও লাঠিসোটা নিয়ে বিজিবির সঙ্গে যোগ দেন। বিজিবি ও এলাকাবাসীর অনড় অবস্থানের মুখে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।
যাদুরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের আলো বন্ধ করে কিছু মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে তারা সফল হতে পারেনি।’
সীমান্তের বাসিন্দারা জানান, ভারতের আসাম রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের ধরে এনে সীমান্ত ক্যাম্পগুলোতে জড়ো করা হচ্ছে বলে তারা ওপার থেকে খবর পাচ্ছেন। তাদের সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে বিএসএফ।
এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীনস্থ খেওয়ারচর বিওপির ল্যান্স নায়েক সুমন আলী বলেন, ‘বিএসএফ সীমান্তে লোক জড়ো করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। আমরা গ্রামবাসীসহ সীমান্তে সতর্ক ও শক্ত অবস্থানে রয়েছি। কোনোভাবেই অবৈধ অনুপ্রবেশ হতে দেওয়া হবে না।’

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পক্ষ থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের (পুশইন) চেষ্টা পণ্ড করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় এলাকাবাসী। শনিবার (৬ জুন) ও রোববার (৭ জুন) রাতে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের বকবান্ধা ও সুদুরটিলা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বকবান্ধা সীমান্তের ১০৬৯ নম্বর মেইন পিলারের কাছে ভারতীয় নাগরিকদের ট্রাকে করে এনে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে একই ইউনিয়নের সুদুরটিলা ক্যাম্প এলাকায় দুটি ট্রাকে করে বেশ কিছু মানুষকে কাঁটাতারের কাছে নিয়ে আসে তারা। দুই রাতেই বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে সীমান্তে শক্ত অবস্থান নেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারাও লাঠিসোটা নিয়ে বিজিবির সঙ্গে যোগ দেন। বিজিবি ও এলাকাবাসীর অনড় অবস্থানের মুখে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।
যাদুরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের আলো বন্ধ করে কিছু মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে তারা সফল হতে পারেনি।’
সীমান্তের বাসিন্দারা জানান, ভারতের আসাম রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের ধরে এনে সীমান্ত ক্যাম্পগুলোতে জড়ো করা হচ্ছে বলে তারা ওপার থেকে খবর পাচ্ছেন। তাদের সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে বিএসএফ।
এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীনস্থ খেওয়ারচর বিওপির ল্যান্স নায়েক সুমন আলী বলেন, ‘বিএসএফ সীমান্তে লোক জড়ো করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। আমরা গ্রামবাসীসহ সীমান্তে সতর্ক ও শক্ত অবস্থানে রয়েছি। কোনোভাবেই অবৈধ অনুপ্রবেশ হতে দেওয়া হবে না।’

আপনার মতামত লিখুন