দিল্লির যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে এবং এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ঘটনায় একজন এসিপি-সহ দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের আহতের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।
পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় পৌঁছান। যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল সম্ভাব্য দমনমূলক পদক্ষেপের আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলিও সংসদে বিষয়টি নিয়ে সরব হয় এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ জানায়।
রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ পুরোপুরি থামেনি। বহু বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তর এলাকায় অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।বিভিন্ন রাজ্য থেকে আরও সমর্থক আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। নিরাপত্তার কারণে দিল্লি মেট্রোর ১৬টি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
দিল্লির যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে এবং এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ঘটনায় একজন এসিপি-সহ দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের আহতের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।
পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় পৌঁছান। যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল সম্ভাব্য দমনমূলক পদক্ষেপের আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলিও সংসদে বিষয়টি নিয়ে সরব হয় এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ জানায়।
রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ পুরোপুরি থামেনি। বহু বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তর এলাকায় অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।বিভিন্ন রাজ্য থেকে আরও সমর্থক আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। নিরাপত্তার কারণে দিল্লি মেট্রোর ১৬টি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন