ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অবস্থানের পর অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) ভোরে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টার পর ১১ জন নাগরিক মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশু ছিল। এই নারী ও শিশুদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। প্রায় ২ দিন ধরে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটান। নারী ও শিশুদের এমন দুর্ভোগ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
বিজিবি জানায়, রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত ৩ টার পর বিএসএফ ওই ১১ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা আর সীমান্তের শূন্যরেখায় নেই। ঘটনার পর থেকে মশালগাঁও সীমান্তে সতর্ক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী ও শিশুদের দীর্ঘ সময় শূন্যরেখায় আটকে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ছিল। বিএসএফ তাদের সরিয়ে নেওয়ায় সীমান্ত এলাকায় আপাতত অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অবস্থানের পর অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) ভোরে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টার পর ১১ জন নাগরিক মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশু ছিল। এই নারী ও শিশুদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। প্রায় ২ দিন ধরে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটান। নারী ও শিশুদের এমন দুর্ভোগ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
বিজিবি জানায়, রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত ৩ টার পর বিএসএফ ওই ১১ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা আর সীমান্তের শূন্যরেখায় নেই। ঘটনার পর থেকে মশালগাঁও সীমান্তে সতর্ক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী ও শিশুদের দীর্ঘ সময় শূন্যরেখায় আটকে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ছিল। বিএসএফ তাদের সরিয়ে নেওয়ায় সীমান্ত এলাকায় আপাতত অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন