চারপাশে সবুজের সমারোহ। তারই মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রাচীন মঠ। কার স্মৃতিতে বা কবে এটি নির্মিত হয়েছিল, তা আজও স্থানীয়দের কাছে রহস্যাবৃত। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৩ নম্বর দেওরগাছ ইউনিয়নের কাচুয়া গ্রামে বছরের পর বছর ধরে এভাবেই পরিচয়হীনভাবে দাঁড়িয়ে আছে এই পুরাকীর্তিটি।
চুনারুঘাট-আসামপাড়া ও আমুরোড দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের সহজেই নজর কাড়ে এই স্থাপনা। অনেকে আবার কৌতূহলবশত মঠটির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি বা সেলফি তুলে রাখছেন স্মৃতি হিসেবে।
কাচুয়া এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা অদু মিয়া (৯০) বলেন, “আমার বয়স এখন নব্বইয়ের কাছাকাছি। ছোটবেলা থেকে এই মঠটিকে এভাবেই দেখে আসছি। ৯০ বছরেও এর কোনো পরিবর্তন দেখিনি।” ইট-বালুর তৈরি মঠটির সামনের কিছু অংশ ধসে পড়লেও এটি এখনো মাথা উঁচু করে টিকে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জসিম মিয়া জানান, মঠটির সঠিক ইতিহাস কারও জানা নেই। তবে লোকমুখে শোনা যায়, এটি কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী সাধক বা বৈষ্ণবের সমাধিস্থল হতে পারে। একসময় পরিচয় থাকলেও এখন এটি কেবলই একটি ‘অজানা’ মঠ হিসেবে টিকে আছে। পরিচয়হীনতার গণ্ডিতে আটকে থাকলেও এটি যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রাচীন এই স্থাপনাটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এটি আগামী প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের একটি অংশ হয়ে থাকবে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
চারপাশে সবুজের সমারোহ। তারই মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রাচীন মঠ। কার স্মৃতিতে বা কবে এটি নির্মিত হয়েছিল, তা আজও স্থানীয়দের কাছে রহস্যাবৃত। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৩ নম্বর দেওরগাছ ইউনিয়নের কাচুয়া গ্রামে বছরের পর বছর ধরে এভাবেই পরিচয়হীনভাবে দাঁড়িয়ে আছে এই পুরাকীর্তিটি।
চুনারুঘাট-আসামপাড়া ও আমুরোড দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের সহজেই নজর কাড়ে এই স্থাপনা। অনেকে আবার কৌতূহলবশত মঠটির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি বা সেলফি তুলে রাখছেন স্মৃতি হিসেবে।
কাচুয়া এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা অদু মিয়া (৯০) বলেন, “আমার বয়স এখন নব্বইয়ের কাছাকাছি। ছোটবেলা থেকে এই মঠটিকে এভাবেই দেখে আসছি। ৯০ বছরেও এর কোনো পরিবর্তন দেখিনি।” ইট-বালুর তৈরি মঠটির সামনের কিছু অংশ ধসে পড়লেও এটি এখনো মাথা উঁচু করে টিকে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জসিম মিয়া জানান, মঠটির সঠিক ইতিহাস কারও জানা নেই। তবে লোকমুখে শোনা যায়, এটি কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী সাধক বা বৈষ্ণবের সমাধিস্থল হতে পারে। একসময় পরিচয় থাকলেও এখন এটি কেবলই একটি ‘অজানা’ মঠ হিসেবে টিকে আছে। পরিচয়হীনতার গণ্ডিতে আটকে থাকলেও এটি যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রাচীন এই স্থাপনাটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এটি আগামী প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের একটি অংশ হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন