বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার পরিমল ভক্ত উপজেলার ঝালাডাঙ্গা গ্রামের গিরীশ ভক্তের ছেলে। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিমল ভক্তের ছেলে ও ভুক্তভোগী শিশুটি একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে শিশুটি পরিমলের ছেলেকে ডাকতে তাদের বাড়িতে যায়। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পরিমল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আসামির বড় ভাই দিলীপ ভক্তের দাবি, তার ভাইকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট এলেই তার ভাই নির্দোষ বলে প্রমাণিত হবেন।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রোকেয়া খানম বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হওয়ার পরই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার পরিমল ভক্ত উপজেলার ঝালাডাঙ্গা গ্রামের গিরীশ ভক্তের ছেলে। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিমল ভক্তের ছেলে ও ভুক্তভোগী শিশুটি একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে শিশুটি পরিমলের ছেলেকে ডাকতে তাদের বাড়িতে যায়। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পরিমল শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আসামির বড় ভাই দিলীপ ভক্তের দাবি, তার ভাইকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট এলেই তার ভাই নির্দোষ বলে প্রমাণিত হবেন।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রোকেয়া খানম বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হওয়ার পরই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন