ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নাহিয়ান রবিন (২৩) নামের এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল সন্ত্রাসী। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রবিন গফরগাঁও পৌরসভার শিলাসী গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি কান্দিপাড়া আব্দুর রহমান ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পরিবার ও স্বজনদের দাবি, রবিন ও তার আহত বন্ধু সাকিবুল হাসান মাসুম নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।
আহত মাসুম জানান, সোমবার রাতে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে পশু হাসপাতাল রোড এলাকায় একটি দোকানে কেক কেটে রবিনের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মুখোশধারী ৩-৪ জন সন্ত্রাসী তাদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা রড ও চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। মাসুম দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলেও রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা রবিনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রবিনের মা ঝুমা বেগম বলেন, “রবিন আগে রাজনীতি করলেও এখন নিষ্ক্রিয় ছিল।” তার বাবা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “শুনতে পেরেছি পূর্ববিরোধের জেরে আমার একমাত্র ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই খুনের বিচার চাই।”
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পৌর এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রাজিব নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার বাসা থেকে দুটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নাহিয়ান রবিন (২৩) নামের এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল সন্ত্রাসী। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রবিন গফরগাঁও পৌরসভার শিলাসী গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি কান্দিপাড়া আব্দুর রহমান ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পরিবার ও স্বজনদের দাবি, রবিন ও তার আহত বন্ধু সাকিবুল হাসান মাসুম নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।
আহত মাসুম জানান, সোমবার রাতে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে পশু হাসপাতাল রোড এলাকায় একটি দোকানে কেক কেটে রবিনের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মুখোশধারী ৩-৪ জন সন্ত্রাসী তাদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা রড ও চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। মাসুম দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলেও রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা রবিনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রবিনের মা ঝুমা বেগম বলেন, “রবিন আগে রাজনীতি করলেও এখন নিষ্ক্রিয় ছিল।” তার বাবা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “শুনতে পেরেছি পূর্ববিরোধের জেরে আমার একমাত্র ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই খুনের বিচার চাই।”
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পৌর এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রাজিব নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার বাসা থেকে দুটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন