মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি গরুর মাংস কম দামে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতি কেজি মাত্র ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করা এই মাংস খেয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করার সময় ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের বড়পয়লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের রমজান বেপারী নামের এক ব্যক্তি তার জলাতঙ্ক আক্রান্ত গরুটি জবাই করেন। অথচ আগের দিনই উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করেছিল।
সাটুরিয়া উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. খোকন হোসেন বলেন, “গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত জানার পর গত রোববার (৭ জুন) বিকেলেই মালিককে সতর্ক করা হয়েছিল। কোনোভাবেই যেন মাংস বিক্রি বা খাওয়া না হয়, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা অমান্য করে সোমবার সকালে মাংস বিক্রি করা হয়েছে।”
গরুর মালিক রমজান বেপারী দাবি করেন, গরুর জলাতঙ্ক হওয়ার কথা জানলেও মাংস বিক্রি করা যাবে না এমন তথ্য তার জানা ছিল না। অন্যদিকে, মাংসের ভাগ নেওয়া সাদেক আলী বলেন, তারা ৩১ হাজার টাকায় গরুটি কিনে জবাই করেন এবং প্রায় ১১ কেজি করে মাংস ভাগ করে নেন। কিন্তু গরুটি যে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত ছিল, তা মালিক তাদের জানাননি।
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জলাতঙ্ক আক্রান্ত পশুর রক্ত ও লালা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই এই মাংস কাটাকাটি বা প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে দ্রুত ভ্যাকসিনের আওতায় আনা জরুরি।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাংসের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করতে ভেটেরিনারি সার্জনকে বলা হয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকাবাসী তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত রমজান বেপারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
\

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি গরুর মাংস কম দামে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতি কেজি মাত্র ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করা এই মাংস খেয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করার সময় ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের বড়পয়লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের রমজান বেপারী নামের এক ব্যক্তি তার জলাতঙ্ক আক্রান্ত গরুটি জবাই করেন। অথচ আগের দিনই উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করেছিল।
সাটুরিয়া উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. খোকন হোসেন বলেন, “গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত জানার পর গত রোববার (৭ জুন) বিকেলেই মালিককে সতর্ক করা হয়েছিল। কোনোভাবেই যেন মাংস বিক্রি বা খাওয়া না হয়, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা অমান্য করে সোমবার সকালে মাংস বিক্রি করা হয়েছে।”
গরুর মালিক রমজান বেপারী দাবি করেন, গরুর জলাতঙ্ক হওয়ার কথা জানলেও মাংস বিক্রি করা যাবে না এমন তথ্য তার জানা ছিল না। অন্যদিকে, মাংসের ভাগ নেওয়া সাদেক আলী বলেন, তারা ৩১ হাজার টাকায় গরুটি কিনে জবাই করেন এবং প্রায় ১১ কেজি করে মাংস ভাগ করে নেন। কিন্তু গরুটি যে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত ছিল, তা মালিক তাদের জানাননি।
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জলাতঙ্ক আক্রান্ত পশুর রক্ত ও লালা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই এই মাংস কাটাকাটি বা প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে দ্রুত ভ্যাকসিনের আওতায় আনা জরুরি।
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাংসের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করতে ভেটেরিনারি সার্জনকে বলা হয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকাবাসী তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত রমজান বেপারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন