ময়মনসিংহের ত্রিশালে কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র তাপদাহে জনজীবন ওষ্ঠাগত। প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণা মেটাতে পথচারীদের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে ঠান্ডা আঁখের রস। বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে গো-হাটা পর্যন্ত প্রধান সড়কের মোড়ে মোড়ে রসের দোকানে এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্রেতারা মেশিনের চাকায় আঁখ মাড়াই করে রস বের করছেন। তাতে মেশানো হচ্ছে বরফ। বরফমিশ্রিত এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় পান করে শরীর ও মনে প্রশান্তি খুঁজছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বর্তমানে প্রতি গ্লাস আঁখের রস ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার হরিরামপুর গ্রাম থেকে বাজারে আসা শরিফা বেগম বলেন, “তীব্র গরমে মাথা ঘুরছিল। পরে এক গ্লাস ঠান্ডা আঁখের রস পান করে শরীরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।” বীররামপুর গ্রামের নুরুল আমিন জানান, এই গরমে পিপাসা মেটাতে বরফ মেশানো আঁখের রসের বিকল্প নেই।
আঁখের রস বিক্রেতা নাজমুল জানান তার দৈনন্দিন সংগ্রামের কথা। তিনি বলেন, “পরিশ্রম অনেক বেশি। প্রতিদিন পাশের ফুলবাড়িয়া উপজেলা থেকে আঁখ সংগ্রহ করে আনতে হয়। রাতে সেগুলো থেকে ছাল ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে রাখি। পরের দিন সকালে বরফ সংগ্রহ করে বিক্রি শুরু করি। সব খরচ বাদে দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ থাকে।”
চিকিৎসকেরা বলছেন, গরমে বাইরের খোলা জায়গার অস্বাস্থ্যকর বরফ মিশ্রিত রস পান করলে পেটের পীড়া বা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি থাকে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই রসের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র তাপদাহে জনজীবন ওষ্ঠাগত। প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণা মেটাতে পথচারীদের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে ঠান্ডা আঁখের রস। বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে গো-হাটা পর্যন্ত প্রধান সড়কের মোড়ে মোড়ে রসের দোকানে এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্রেতারা মেশিনের চাকায় আঁখ মাড়াই করে রস বের করছেন। তাতে মেশানো হচ্ছে বরফ। বরফমিশ্রিত এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় পান করে শরীর ও মনে প্রশান্তি খুঁজছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বর্তমানে প্রতি গ্লাস আঁখের রস ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার হরিরামপুর গ্রাম থেকে বাজারে আসা শরিফা বেগম বলেন, “তীব্র গরমে মাথা ঘুরছিল। পরে এক গ্লাস ঠান্ডা আঁখের রস পান করে শরীরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।” বীররামপুর গ্রামের নুরুল আমিন জানান, এই গরমে পিপাসা মেটাতে বরফ মেশানো আঁখের রসের বিকল্প নেই।
আঁখের রস বিক্রেতা নাজমুল জানান তার দৈনন্দিন সংগ্রামের কথা। তিনি বলেন, “পরিশ্রম অনেক বেশি। প্রতিদিন পাশের ফুলবাড়িয়া উপজেলা থেকে আঁখ সংগ্রহ করে আনতে হয়। রাতে সেগুলো থেকে ছাল ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে রাখি। পরের দিন সকালে বরফ সংগ্রহ করে বিক্রি শুরু করি। সব খরচ বাদে দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা লাভ থাকে।”
চিকিৎসকেরা বলছেন, গরমে বাইরের খোলা জায়গার অস্বাস্থ্যকর বরফ মিশ্রিত রস পান করলে পেটের পীড়া বা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি থাকে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই রসের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী।

আপনার মতামত লিখুন