নরসিংদীর রায়পুরার নীলক্ষায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ‘টেটাযুদ্ধের’ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদী থেকে নিখোঁজ বুলবুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গুলিবিদ্ধ মোস্তফা মিয়া।
এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত অন্য ৩ জন হলেন- দড়িগাঁও গ্রামের অনিক মিয়া (২২), বীরগাঁও গ্রামের কাউসার আহমেদ (৩৭) ও কান্দাপাড়ার মালয়েশিয়াপ্রবাসী লতিফ মোল্লা (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন ভোরে রায়পুরার নীলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁও গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন ওরফে মিষ্টার ও আলাল মুন্সি ওরফে জবা মেম্বার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। টেঁটা, দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় বেশ কিছু ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের প্রথম দিনেই অনিক মিয়া নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
পরদিন বুধবার (১৭ জুন) মাধবদী থানার চরদিঘলদী এলাকায় মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউসার আহমেদের লাশ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নীলক্ষার হরিপুরে নদী থেকে উদ্ধার করা হয় লতিফ মোল্লার লাশ। দীর্ঘ ৫ দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার (২১ জুন) সকালে মৃত্যু হয় মোস্তফা মিয়ার। একই দিন সন্ধ্যায় আড়াইহাজারের খাককান্দা এলাকায় মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় বুলবুলের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা লাশটি বুলবুলের বলে শনাক্ত করেন।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি নিখোঁজ বুলবুলের বলে শনাক্ত করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়পুরা থানায় এখন পর্যন্ত ২ টি মামলা হয়েছে। নিহত অনিকের মা নাসিমা খাতুন ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। অন্য মামলাটি করেছেন নিহত কাউসারের স্ত্রী মুন্নি আক্তার, যেখানে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরার নীলক্ষায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ‘টেটাযুদ্ধের’ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদী থেকে নিখোঁজ বুলবুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গুলিবিদ্ধ মোস্তফা মিয়া।
এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত অন্য ৩ জন হলেন- দড়িগাঁও গ্রামের অনিক মিয়া (২২), বীরগাঁও গ্রামের কাউসার আহমেদ (৩৭) ও কান্দাপাড়ার মালয়েশিয়াপ্রবাসী লতিফ মোল্লা (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন ভোরে রায়পুরার নীলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁও গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন ওরফে মিষ্টার ও আলাল মুন্সি ওরফে জবা মেম্বার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। টেঁটা, দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় বেশ কিছু ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের প্রথম দিনেই অনিক মিয়া নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
পরদিন বুধবার (১৭ জুন) মাধবদী থানার চরদিঘলদী এলাকায় মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউসার আহমেদের লাশ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নীলক্ষার হরিপুরে নদী থেকে উদ্ধার করা হয় লতিফ মোল্লার লাশ। দীর্ঘ ৫ দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার (২১ জুন) সকালে মৃত্যু হয় মোস্তফা মিয়ার। একই দিন সন্ধ্যায় আড়াইহাজারের খাককান্দা এলাকায় মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় বুলবুলের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা লাশটি বুলবুলের বলে শনাক্ত করেন।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি নিখোঁজ বুলবুলের বলে শনাক্ত করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়পুরা থানায় এখন পর্যন্ত ২ টি মামলা হয়েছে। নিহত অনিকের মা নাসিমা খাতুন ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। অন্য মামলাটি করেছেন নিহত কাউসারের স্ত্রী মুন্নি আক্তার, যেখানে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
/

আপনার মতামত লিখুন