সংবাদ

৫ বছর ধরে সেতু নেই, ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো


প্রতিনিধি, কালকিনি (মাদারীপুর)
প্রতিনিধি, কালকিনি (মাদারীপুর)
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

৫ বছর ধরে সেতু নেই, ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো
ছবি : সংবাদ

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম শশিকর চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন খালের ওপর একটি সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ১৫ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ২০২১ সালের বন্যায় পুরোনো সেতুটি ভেঙে বিলীন হওয়ার পর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে স্থানীয়দের নির্মিত বাঁশের সাঁকোই এখন পারাপারের একমাত্র ভরসা।

প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করছে শত শত শিক্ষার্থী। এ ছাড়া কৃষক, ব্যবসায়ী ও অসুস্থ রোগীদেরও এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম শশিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শশিকর উচ্চবিদ্যালয়, শশিকর কলেজ, হরলাল কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্তত ছয়টি মন্দিরে যাওয়ার প্রধান পথ এটি। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ এই পথে চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বাড়লে বাঁশের সাঁকোটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরণা দিয়েও নতুন সেতুর জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিভিন্ন সময় আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এ বিষয়ে মাদারীপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনীয়া বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’

ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর দাবি, দ্রুত স্থায়ী একটি সেতু নির্মাণ করে হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি দূর করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


৫ বছর ধরে সেতু নেই, ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম শশিকর চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন খালের ওপর একটি সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ১৫ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ২০২১ সালের বন্যায় পুরোনো সেতুটি ভেঙে বিলীন হওয়ার পর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে স্থানীয়দের নির্মিত বাঁশের সাঁকোই এখন পারাপারের একমাত্র ভরসা।

প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করছে শত শত শিক্ষার্থী। এ ছাড়া কৃষক, ব্যবসায়ী ও অসুস্থ রোগীদেরও এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম শশিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শশিকর উচ্চবিদ্যালয়, শশিকর কলেজ, হরলাল কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্তত ছয়টি মন্দিরে যাওয়ার প্রধান পথ এটি। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ এই পথে চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বাড়লে বাঁশের সাঁকোটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরণা দিয়েও নতুন সেতুর জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিভিন্ন সময় আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এ বিষয়ে মাদারীপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনীয়া বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’

ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর দাবি, দ্রুত স্থায়ী একটি সেতু নির্মাণ করে হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি দূর করা হোক।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত