জার্মানির স্টেড শহরে একটি মা ও শিশুকেন্দ্রে এক বন্দুকধারীর ভয়াবহ হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (২৯ জুন) এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, এক বন্দুকধারী হঠাৎ করেই ওই মা ও শিশুকেন্দ্রে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখান থেকে মূল বন্দুকধারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক কোনো বিবাদ বা দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ৪৫ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই মূল হামলাকারী এর আগেও অপরাধের দায়ে কারাভোগ করেছে। সে তুরস্কের বংশোদ্ভূত একজন জার্মান নাগরিক।
মাত্র ৫০ হাজার বাসিন্দার ছোট ও শান্ত শহর স্টেড-এ এমন আকস্মিক সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আপাতত বাসিন্দাদের জন্য নতুন কোনো হুমকির আশঙ্কা নেই।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জার্মানির স্টেড শহরে একটি মা ও শিশুকেন্দ্রে এক বন্দুকধারীর ভয়াবহ হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (২৯ জুন) এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, এক বন্দুকধারী হঠাৎ করেই ওই মা ও শিশুকেন্দ্রে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখান থেকে মূল বন্দুকধারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক কোনো বিবাদ বা দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ৪৫ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই মূল হামলাকারী এর আগেও অপরাধের দায়ে কারাভোগ করেছে। সে তুরস্কের বংশোদ্ভূত একজন জার্মান নাগরিক।
মাত্র ৫০ হাজার বাসিন্দার ছোট ও শান্ত শহর স্টেড-এ এমন আকস্মিক সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আপাতত বাসিন্দাদের জন্য নতুন কোনো হুমকির আশঙ্কা নেই।

আপনার মতামত লিখুন