পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ ভেনেজুয়েলা এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে লাশের মিছিল। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৩ জনে। এছাড়া আহত হয়েছেন সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
ভূমিকম্পের
ফলে দেশটিতে এক চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী:
নিখোঁজ: প্রায় ৪৩ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
গৃহহীন: ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ তাঁদের মাথা
গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত
ঘরবাড়ি: প্রায় ৫৯ হাজার
বাড়িঘর পুরোপুরি বা আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিপন্ন শিশু: প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার শিশুর এই মুহূর্তে
জরুরি মানবিক ত্রাণ ও সহায়তার প্রয়োজন।
ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞের
পর মঙ্গলবারও (৩০ জুন) উদ্ধারকারীরা দিনভর দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের
উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এখনো কাউকে জীবিত পাওয়ার
ক্ষীণ আশা ধরে রেখেছেন তাঁরা। তবে অলৌকিক কিছুর পাশাপাশি এখন মূলত মৃতদেহের সন্ধানেই
বেশি তল্লাশি চালাতে হচ্ছে তাঁদের।
ভূমিকম্পে আটকে
পড়া এক মা ও তাঁর শিশুকে বাঁচাতে টানা ৪০ ঘণ্টা ধরে অবিরাম চেষ্টা চালিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্র
ও ইকুয়েডর থেকে আসা আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে
যাওয়ার পর মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কোনো জীবনের চিহ্ন বা সাড়াশব্দ না পাওয়ায়
অত্যন্ত ভারী হৃদয়ে সেই উদ্ধার কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তাঁরা।
ভেনেজুয়েলার
ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের বড় ধরনের
সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ ভেনেজুয়েলা এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে লাশের মিছিল। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৩ জনে। এছাড়া আহত হয়েছেন সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
ভূমিকম্পের
ফলে দেশটিতে এক চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী:
নিখোঁজ: প্রায় ৪৩ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
গৃহহীন: ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ তাঁদের মাথা
গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত
ঘরবাড়ি: প্রায় ৫৯ হাজার
বাড়িঘর পুরোপুরি বা আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিপন্ন শিশু: প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার শিশুর এই মুহূর্তে
জরুরি মানবিক ত্রাণ ও সহায়তার প্রয়োজন।
ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞের
পর মঙ্গলবারও (৩০ জুন) উদ্ধারকারীরা দিনভর দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের
উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এখনো কাউকে জীবিত পাওয়ার
ক্ষীণ আশা ধরে রেখেছেন তাঁরা। তবে অলৌকিক কিছুর পাশাপাশি এখন মূলত মৃতদেহের সন্ধানেই
বেশি তল্লাশি চালাতে হচ্ছে তাঁদের।
ভূমিকম্পে আটকে
পড়া এক মা ও তাঁর শিশুকে বাঁচাতে টানা ৪০ ঘণ্টা ধরে অবিরাম চেষ্টা চালিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্র
ও ইকুয়েডর থেকে আসা আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে
যাওয়ার পর মঙ্গলবার ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কোনো জীবনের চিহ্ন বা সাড়াশব্দ না পাওয়ায়
অত্যন্ত ভারী হৃদয়ে সেই উদ্ধার কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তাঁরা।
ভেনেজুয়েলার
ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের বড় ধরনের
সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন